তলপেটের মেদ কমাতে এড়িয়ে চলুন তিন খাবার
অনেকে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন, জিমে যান, ঘন ঘন স্বাস্থ্য report পড়েন। তবু তলপেটের মেদ সরছে না কেন? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় আমরা নিজেদের স্বাস্থ্যকর মনে করে এমন তিন ধরনের খাবার খেয়ে risk বাড়িয়ে দিচ্ছি—যার প্রভাব পড়ছে পেটের ভুঁড়িতে। বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার ফিটনেস ট্রেনার সীদ্ধার্থ সিং এই issue স্পষ্ট করেছেন।
প্রথমটি হলো বাদামের মাখন। দেখতে স্বাস্থ্যকর লাগলেও এতে calorie খুব বেশি। এক চামচেই প্রায় ১০০ ক্যালোরি! অনেকে রুটির সঙ্গে লাগিয়ে খান, অথবা স্মুদির মধ্যে মিশিয়ে নেন। কিন্তু pressure কমাতে চাইলে এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
দ্বিতীয় খাবার হলো দানাশস্যের মিশ্রণ, যেগুলো সকালে খাওয়া হয়। এগুলোতে প্রায়শই অতিরিক্ত sugar এবং শুকনো ফল যুক্ত থাকে। এগুলো market স্বাস্থ্যকর পণ্য হিসেবে বিক্রি হলেও আসলে এগুলো ওজন বাড়ানোর risk ফেলে।
তৃতীয় হলো বিয়ার জাতীয় পানীয়। সপ্তাহে একবার খেলেও শরীরের বিপাকক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে। এতে প্রচুর ক্যালোরি থাকে, যা gradually পেটের মেদ বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ব্যায়াম করলেই তলপেটের চর্বি কমবে না। খাবারের দিকেও সমান attention দিতে হবে। সঠিক plan আর পরিমিত খাবারই হলো দীর্ঘমেয়াদি solution । একটি সুষম জীবনযাপন না করলে কোনো সিদ্ধান্তই টেকসই হবে না।
আমি প্রতিদিন সকালে গ্রানোলা খাই, ভাবছিলাম খুব ভালো করছি। কিন্তু এখন বুঝলাম, এখানেই লুকিয়ে ছিল sugar চিনি।
বাদামের মাখন ছাড়া তো আমার সকাল শুরুই হয় না। কিন্তু এখন মাত্রা কমানোর plan পরিকল্পনা করছি।
এতদিন ভেবেছি বিয়ার একটু খেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু এটা তো ধীরে ধীরে risk ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
আমার অফিসের সবাই বাদামের মাখন খায়। কেউ কেউ সরাসরি চামচে খায়। এটা কি সত্যিই এতটা খারাপ?
স্বাস্থ্যকর খাবারের নামে আমরা কত ক্যালোরি ঢুকাচ্ছি তা কেউ মাপছে না। market বাজার চালাচ্ছে প্রতারণা।
খাবারের গুণগত মান নয়, পরিমাণও তো গুরুত্বপূর্ণ। এই attention মনোযোগ আমাদের থাকা উচিত।