রায়ের বাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
রাজধানীর market এলাকায় আরেকটি নৃশংস attack ঘটেছে, যেখানে এক youth ছুরিকাঘাতে killed হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রাতে, যখন আসাদুল হক ওরফ লম্বু আসাদুল (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে তাঁর নাকি সহযোগীদের হাতে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, আসাদুলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক ও ছিনতাই-সহ পাঁচটি case রয়েছে। হত্যার সময় তিনি সাদেক খান ইটখোলা এলাকায় তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে ছিলেন। প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়, আর তারপরই তাঁকে attack করা হয়। হামলার পর আক্রমণকারীরা ঘটনাস্থল থেকে quickly পালিয়ে যায়।
আহত অবস্থায় তাঁকে রাত পৌনে একটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে taken হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে death ঘোষণা করেন। হাসপাতালে তাঁর শরীরে একাধিক ছুরির আঘাতের sign পাওয়া যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসাদুলের পকেট থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করেছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তদন্তের process চলছে, এবং পুলিশ হামলার reason নির্ধারণের চেষ্টা করছে। আসাদুলের বাসস্থান ছিল মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ে, আর গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলায়।
এই market বাজার এলাকাগুলোতে এখন রাতে ঘুরতে যাওয়াই বিপজ্জনক। এত crime অপরাধ, আর পুলিশ কিছুই করছে না?
বিষয়টা শুধু হত্যা না, এখানে সহযোগীদের মধ্যেই conflict দ্বন্দ্ব ছিল। মাদক নিয়ে নিশ্চয়ই pressure চাপ ছিল।
হামলার পর পালিয়ে যাওয়াটা quickly দ্রুত হয়েছে। মানে প্ল্যান করা হয়েছিল। এটা কি শুধু মামলার জবাব না decision সিদ্ধান্ত?
হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তখনই তো মৃত ছিলেন। চিকিৎসা দেওয়ার মতো chance সুযোগ ছিল না।
আসাদুলের বিরুদ্ধে পাঁচটা মামলা—এটা কি তাকে হত্যার excuse অজুহাত করে তোলে? আইন rule নিয়ম মানতে হবে।
গ্রামের বাড়ি বরিশালে। মানে পরিবার হয়তো কিছুই জানত না। এই পরিবারগুলোর কী হবে?