জামালপুরে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: চিকিৎসা ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশ্ন
জামালপুরে কারাগারে বন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতা জিয়াউল হক জিয়ার মৃত্যু ঘিরে শোক ও প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। risk বাড়িয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের উপর, কারণ তাঁর মৃত্যুর আগে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে।
জিয়াউল হক জিয়া ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং জামালপুর জেলে আটক ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে খাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। জেল সুপার মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থা অবনতির কারণে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে quickly স্থানান্তর করা হয়।
তবু চিকিৎসকরা ময়মনসিংহে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কারাকর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন health issue নিয়ে ভুগছিলেন। কিন্তু তাঁর পরিবার বলছে, যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছিলেন কিনা তা নিয়ে concern রয়েছে।
জিয়ার ছেলে জাকিউর রাফিদ নাফি বলেন, তিনি নিজে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় চিকিৎসাধীন। তাঁর বোন শোকে ভুগছেন এবং বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না। এই পরিবারের দুঃখ আরও গভীর করেছে কারাগারে মৃত্যুর ঘটনাটি।
এমন ঘটনায় কারা ব্যবস্থাপনার উপর pressure বাড়ে। কারাবন্দি নেতাদের চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কতটা public trust আছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রতি, তা নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।
একজন রাজনৈতিক নেতার কারাগারে মৃত্যু সবসময়ই সন্দেহের জন্ম দেয়। চিকিৎসা যদি on time সময়মতো দেওয়া হতো, পরিস্থিতি বদলাতে পারত।
রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে থাকা সত্ত্বেও মানবিক চিকিৎসার অধিকার সবার সমান। এখানে সেই basic right মৌলিক অধিকার কি রক্ষা পেয়েছে?
জেল হাসপাতালের capacity ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। যদি প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যর্থ হয়, তাহলে পরে স্থানান্তর কতটা কার্যকর?
একটা পরিবার আজ ভেঙে গেল। বাবা কারাগারে, ছেলে হাসপাতালে, মেয়ে শোকে। রাজনীতি কত বেশি cost খরচ করাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সবসময়ই স্বচ্ছতার সঙ্গে তথ্য দেয় না। এবারও কি সত্যি ঘটনা লুকানো হচ্ছে? official report সরকারি রিপোর্ট কি প্রকাশ করা হবে?
এই ধরনের ঘটনায় সরকারের উচিত একটি স্বাধীন তদন্ত করা, না হলে জনগণের আস্থা আরও কমবে।