ফতুল্লায় ঝুট নিয়ে গোলাগুলি, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে যুবদলের দু’দলের মধ্যে সংঘর্ষের পর গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। এ ঘটনায় দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়, আর তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব। স্থানীয়দের মধ্যে fear ছড়িয়ে পড়ে, এবং public pressure বাড়ে তৎক্ষণাৎ।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার হোটেল গ্র্যান্ড সাফা ইনে অভিযান চালিয়ে এনায়েত নগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনির হোসেন (৫০), সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম জসিম (৪৯) এবং লিয়ন মাহমুদ আকাশ (২২)-সহ তিনজনকে arrest করে। গ্রেফতারের বিষয়টি বুধবার সকালে পুলিশ নিশ্চিত করে।
ফতুল্রা থানার ওসি মো: মাহাবুব জানান, অভিযানটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও অস্ত্রের মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, "বিস্তারিত report পরে জানানো হবে।" এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের response কতটা দ্রুত হবে, তা নিয়ে স্থানীয় মহলে চাওয়া হচ্ছে।
ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই গ্রুপের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এই অর্থনৈতিক control নিয়ে দখলদারির লড়াইয়ের মধ্যেই ঘটেছে সংঘর্ষ। কিছু মানুষ বলছেন, এ ধরনের হিংসার পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক support ।
এমন ঘটনাগুলি স্থানীয় মানুষের trust নষ্ট করে এবং আইনের শাসনের উপর প্রশ্ন তোলে। সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর হস্তক্ষেপ না হলে, এটি ভবিষ্যতে আরও বড় conflict দিকে ঠেলে দিতে পারে। এখন প্রশ্ন, কতটা decision হবে এই গ্রেফতারের পর?
ঝুট নিয়ে গুলি? এটা তো কোনো ছোট issue সমস্যা না। কত টাকার লেনদেন হয় এখানে, তা হিসেব করলে বুঝবেন।
যুবদলের নামে গুণ্ডামি, আর পুলিশ ঘুমোচ্ছে? জনগণের আস্থা তো আগেই কম। এবার আরও কমবে।
দুই পক্ষই রাজনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে। কেউ শান্তি চায় না, চায় power ক্ষমতা।
ফতুল্লা আমার পৈতৃক এলাকা। ছোটবেলায় সেখানে প্রতিবেশীরা একসাথে রমজান কাটাত। এখন? ভয়ে fear ভয়।
গ্রেফতার ভালো, কিন্তু মামলা কি আসলে হবে? নাকি কয়েকদিন পর জামিনে বেরিয়ে market control বাজার নিয়ন্ত্রণ ফিরবে?
আমরা কি এখন ঝুটের জন্য গুলি খাব? এই violence সহিংসতা কোথায় গিয়ে থামবে?