এই মুহূর্তে
আট বছরের স্বপ্নকে পর্দায় reality করতে রীতেশ দেশমুখ নিজেই হয়েছেন পরিচালক এবং নায়ক। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের জীবনী অবলম্বনে তৈরি মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র ‘the film ’ এর ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। আর তার মাঝেই উঠে এসেছে বিতর্কের ঝড়। কেননা ট্রেলারে দেখা গেছে, আফজাল খানের সামনে আক্রমণের আগেই শিবাজী মহারাজ openly ‘ওয়াঘ নখ’ দেখাচ্ছেন। কিন্তু ইতিহাস বলে, তা ছিল লুকনো, এবং শুধুমাত্র আক্রমণের পরেই ব্যবহার করা হয়েছিল।
এই discrepancy নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠেছে তীব্র criticism । বিজেপি নেতা সুরেশ নাখুয়া টুইট করে অভিযোগ করেন, মহারাষ্ট্রের ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে। রীতেশের বিরুদ্ধে শুধু তাই নয়, ‘ওয়াঘ নখ’ নিয়ে ঐতিহাসিক সত্যের বিরুদ্ধে যাওয়াকে ‘অপমান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেকে আবার মনে করেন, ছবির মাধ্যমে শিবাজী মহারাজের বাহুবল ও কৌশলকে দুর্বল portrayal করা হচ্ছে।
তবে রীতেশ নিজে নীরব নন। তিনি জবাব দিয়েছেন, ‘the answer ছবিতেই আছে।’ তিনি দর্শকদের আহ্বান জানিয়েছেন ১ মে সিনেমা হলে গিয়ে সম্পূর্ণ narrative দেখার জন্য। আর এই জবাব আবার নিজেই নতুন প্রশ্ন তুলেছে: কি আছে সেই দৃশ্যে, যা ইতিহাসের বিরুদ্ধে যাওয়ার মতো দেখাচ্ছে না? নাকি এটি শুধু dramatic স্বাদ দেওয়ার কৌশল?
এর মাঝে ছবিতে রয়েছে রীতেশের স্ত্রী জেনেলিয়া এবং ছোট ছেলে রাহিলের অভিনয়, যা ভক্তদের মধ্যে excitement বাড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, অভিষেক বচ্চন, বিদ্যা বালানদের মতো তারকারা। ছবিটি মুক্তি পাবে মারাঠি, হিন্দি এবং তেলুগু ভাষায়। এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, একটি cultural ঘটনা হয়ে উঠবে কিনা, সেই প্রশ্ন ঘুরছে সবার মনে।
‘রাজা শিবাজী’ মুক্তির আগেই ইতিহাস, সিনেমা এবং জাতীয়তাবাদের মধ্যে একটি মিলনস্থল তৈরি করেছে। কারা মনে করবেন এটি শিল্প, আর কারা বলবেন এটি অবমাননা — কিন্তু সবাই মাথা ঘুরিয়ে দেখছেন ট্রেলারটি। একটি ছবির মাধ্যমে ঐতিহাসিক চরিত্রের চিত্রায়ন কতটা স্বাধীন হতে পারে, তার বিতর্ক এখন public ।
‘ওয়াঘ নখ’ লুকানো ছিল — এটা ইতিহাস। এটা বদলালে গল্প distortion বিকৃতি হয়ে যায়।
রীতেশ দেশমুখ মজাদার কাজ করেন, কিন্তু শিবাজী মহারাজ? চরিত্রের gravity গাম্ভীর্য আছে কি তাঁর?
ছবি দেখার আগে বিচার করা উচিত নয়। সে হয়তো কোনো context প্রেক্ষাপট দেখাবে যা আমরা জানি না।
জেনেলিয়া আর রাহিল অভিনয় করছে — এটা নিজেই একটা reason কারণ ছবি দেখার।
নাখুয়া সবসময় টুইট করেন। কিন্তু সিনেমার creative সৃজনশীল স্বাধীনতা কি নেই?
যদি ঐতিহাসিক সত্য নষ্ট করা হয়, তবে কেন ‘ঐতিহাসিক’ বলে দাবি করা? এটা নাটক হোক আর fiction কল্পনা।
১ মে সবাই মুভি থিয়েটারে যাব। তারপর দেখা যাক, response প্রতিক্রিয়া কী হয়।
ইতিহাস আর বিনোদনের মধ্যে balance ভারসাম্য রাখা কঠিন। আশা করি ছবিটি পারবে।