ইরানের কার্গো জাহাজ আটকের পর নতুন আলোচনায় বসার 'কোনো পরিকল্পনা নেই' বলে তেহরানের ঘোষণা
ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনার পথ আবারও কাঁটা দিয়ে ভরা হয়ে উঠেছে। মার্কিন নৌবাহিনীর দ্বারা ইরানি পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ জব্দের পর তেহরানের পাল্টা হিসেবে মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজে drone attack চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জাহাজটিকে আটকানোর পেছনে যুক্তি দিয়েছে যে এটি তেল পাচারের মাধ্যমে ইরানের economic pressure বাড়ানোর অংশ। কিন্তু ইরান এটিকে 'সামুদ্রিক জলদস্যুতা' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং আলোচনার পথে নতুন বাধা সৃষ্টি করেছে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সোমবার ইসলামাবাদে arrive বলে ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের কোনো negotiation plan নেই। তিনি বলেন, যতক্ষণ না নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হয়, ততক্ষণ আলোচনায় অংশ নেবে না তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাসের কোনো ভিত্তি নেই। বিবিসির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনার মন্তব্য করেছেন, আলোচনায় progress হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। ইরান মার্কিন চাপে নতি স্বীকার করবে—এমন আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। বরং এ ধরনের চাপ তাদের অবস্থানকে আরও hardline করছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র হয়ে উঠেছে।
চীন এই উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করে, সংঘাতের পরিবর্তে dialogue মাধ্যমেই সমস্যা সমাধান করা উচিত। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনও জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সাথে চলমান আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা থেকে সম্পূর্ণ separate । এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। তিনি উত্তেজনা কমাতে প্রতিটি diplomatic option ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তার এই আহ্বানের পেছনে কী প্রকৃত ইচ্ছা আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানকে দুই প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার পরিবর্তে, আসল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিশ্বাস পুনরুদ্ধার। সেটা কি হবে, নাকি আবারও আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে?
ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেরেনা হোটেল ও এর আশেপাশের এলাকায় সাধারণ গাড়ি ও মানুষ চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সাধারণ অতিথিদের হোটেল ছাড়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই হোটেলেই আগের দফার বিফল আলোচনা হয়েছিল। এবারের চেষ্টা কি সফল হবে, তা নির্ভর করছে পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং কমপক্ষে একটি পক্ষের আপোষের willingness নিয়ে।
ইরান যদি নৌ-অবরোধ তুলতে না চায়, তাহলে আলোচনার নাটক বন্ধ করুন। dialogue আলোচনা শুধু সময় নষ্ট।
মার্কিন চাপ ইরানের উপর কাজ করবে না। তারা hardline কঠোর হয়েই থাকবে।
বাংলাদেশের জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ ঠিক আছে, কিন্তু আসলে কী হবে? economic pressure অর্থনৈতিক চাপ তো তাদের দিকেই যাচ্ছে।
যুদ্ধ কারো জন্য মঙ্গলজনক নয়—এটা সত্য। কিন্তু কাজে কি হয়? diplomatic option কূটনৈতিক উপায় তো আগেও বারবার ব্যর্থ হয়েছে।
বিশ্বাস না থাকলে progress অগ্রগতি হওয়া অসম্ভব। আমরা আবারও একই চক্রে ঘুরছি।
ভ্যান্স এলে কী হবে? ইরান আসবে কি? negotiation plan আলোচনার পরিকল্পনা নেই বলেই তো ঘোষণা করেছে।