ইরানের পরমাণু আকাঙ্ক্ষা বোমা হামলায় স্তব্ধ করা যাবে না
ইরানের পরমাণু আকাঙ্ক্ষা বোমা দিয়ে চিরতরে stopping করা যাবে না বলে সতর্ক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক পররাষ্ট্রনীতি প্রধান ফেদেরিকা মোগেরিনি। তাঁর মতে, শুধুমাত্র সামরিক action বা বোমা হামলা ইরানের পরমাণু জ্ঞান মুছে ফেলতে পারবে না। বরং, যে কোনো damage হলেও ইরানিরা ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও শক্তিশালীভাবে তাদের পরমাণু infrastructure পুনর্গঠন করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ বোমা হামলার পর প্রায় ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে, কিন্তু মূল challenge এখনো অমীমাংসিত। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অর্থনৈতিক pressure ও আক্রমণ ইরানকে পরমাণু অস্ত্র থেকে সরিয়ে আনতে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। মোগেরিনি বলেন, এই হামলা ছিল অবৈধ ও বেপরোয়া, কারণ তেহরানের তাৎক্ষণিক পরমাণু threat নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ ছিল না।
তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, একটি শিল্পোন্নত, ৯ কোটির বেশি জনসংখ্যার দেশের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কোনো military আঘাতে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বরং এতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থীদের influence বাড়বে এবং তারা আরও গভীরে পরমাণু প্রোগ্রাম চালিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে তাদের জনগণের support আরও দৃঢ় হবে।
এই সংঘাতের প্রভাব এখন বৈশ্বিক। জ্বালানির price বাড়ছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ভয় তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ব economy ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর risk তৈরি করেছে। মোগেরিনি জোর দিয়ে বলেন, সামরিক হামলার বদলে কূটনৈতিক engagement এবং কার্যকর চুক্তিই হবে একমাত্র বুদ্ধিমানের কাজ। ওয়াশিংটন কখনোই তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারবে না।
বাজারে তেলের price দাম আবার লাফ দিচ্ছে, আর আমরা দেখি সামরিক action পদক্ষেপ কতটা 'স্থিতিশীল' করছে!
বোমা মারলে জ্ঞান মুছে যায় না—এটা তো স্পষ্ট। কিন্তু কেন কেউ এই সহজ কথাটা আগে বলেনি? pressure চাপ দিলেই সব ঠিক হবে, এমন ভ্রান্ত ধারণা কবে থামবে?
ইরানিরা যদি আরও শক্তিশালী হয়, তাহলে আঞ্চলিক tension উত্তেজনা কমবে কীভাবে? আমরা তো আরও গভীরে যাচ্ছি।
একটা দেশকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায় না—এটা মানুষের ইতিহাস বারবার বলেছে। support সমর্থন জোগাড় করে শক্ত হয়, আঘাতে নয়।
মোগেরিনি ঠিকই বলেছেন—military সামরিক হামলা অবৈধ, আর এর ফলাফলও ভয়াবহ। কূটনীতি ছাড়া কোনো স্থায়ী সমাধান নেই।
এই ধরনের conflict সংঘাত সাধারণ মানুষের জীবনকে কতটা অস্থির করে তোলে, তা কেউ কি ভাবে?