‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে tension আরও বাড়ছে, যেখানে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবস্থান ক্রমেই ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জেফরি ফেল্টম্যান বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে ইসরায়েল more concerned , যদিও দুই দেশই একই লক্ষ্যের পক্ষে।
ফেল্টম্যান আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যাখ্যা করেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা directly হুমকির মুখে, তাই তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র program নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি বেশি নজর দিচ্ছে, ফলে তাদের response কিছুটা সংযত।
উপসাগরীয় মিত্ররা এখন increasingly worried , কারণ ইরানের প্রযুক্তি এগোনোয় আগের security system আর যথেষ্ট নয় বলে মনে হচ্ছে। ফেল্টম্যানের মতে, এটি শুধু একটি রাজনৈতিক সমস্যা নয়, বরং regional stability নিয়ে গভীর উদ্বেগ।
এই পার্থক্য দেখায় যে, একই শত্রু থাকলেও ভিন্ন geographic অবস্থান ও নিরাপত্তা প্রয়োজন ভিন্ন ধরনের strategy তৈরি করে। ইসরায়েলের জন্য ইরানের দূরত্ব কম, তাই threat বেশি বাস্তব, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি আরও ব্যাপক।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক community এখন এই বিভাজন লক্ষ্য করছে। যদি মিত্রদের মধ্যে এই disagreement বাড়তে থাকে, তবে ভবিষ্যতে যৌথ action নেওয়া কঠিন হবে, যা আরও বড় অস্থিরতার দিকে নাড়ি বাজাতে পারে।
এটা স্পষ্ট যে নিরাপত্তা concern উদ্বেগ ভিন্ন হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু মিত্রদের মধ্যে এই gap ফাঁক ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে আনতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র যত calm শান্ত থাকুক না কেন, ইসরায়েলের জন্য প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র launch উৎক্ষেপণ মৃত্যুর আহ্বান।
উপসাগরীয় দেশগুলো এখন pressure চাপ অনুভব করছে, কারণ তাদের defense প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরনো।
একই সমস্যা নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া? এটাই তো রাজনীতি। কেউ direct threat সরাসরি হুমকি দেখে, কেউ দূর থেকে বিশ্লেষণ করে।
আন্তর্জাতিক actors অভিনেতারা যদি একই সারি থেকে না চলে, তবে কীভাবে শান্তি effort প্রচেষ্টা কাজ করবে?
বাস্তবতা হলো, ইরানের প্রযুক্তি advancement অগ্রগতি দ্রুত, আর প্রতিক্রিয়া slow ধীর। এই gap ব্যবধান বিপজ্জনক।