ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল
ইসরায়েল ইরানে আবার new attack-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ইসরায়েলের তিনটি প্রধান টিভি নেটওয়ার্ক একযোগে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা গতকাল রোববার এই তথ্য ফাঁস করেছেন। এই update এসেছে মাত্র এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই।
ওয়াইনেট নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামি সামরিক বাহিনীকে high alert থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। চ্যানেল ১২ ও কান নিউজ বলেছে, সেনাবাহিনী শুধু ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে না, বরং ইরানের সম্ভাব্য প্রতিহামলারও মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হচ্ছে। কানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েল যুদ্ধ আবার শুরু করতে willing , কারণ আগেরটি খুব দ্রুত শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং ইরানের ওপর যথেষ্ট pressure তৈরি হয়নি।
প্রতিবেদন মতে, ইসরায়েল এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। ট্রাম্প যদি অনুমতি দেন, তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী fuel infrastructure লক্ষ্য করে হামলা করবে, যাতে করে ইরান nuclear programme বন্ধ করতে বাধ্য হয়। চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর combat readiness উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
জামি আগেই বলেছিলেন, তাদের সেনাবাহিনী যেকোনো মুহূর্তে পূর্ণ শক্তি নিয়ে লড়াইয়ে ফিরতে প্রস্তুত। আইডিএফ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প হয়তো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে নাও যেতে চাইতে পারেন, কারণ তিনি long war এড়াতে চান। তবে তিনি ইরানের ওপর blockade আরোপ করতে পারেন এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজগুলোকে সশস্ত্র পাহারা দিতে বাধ্য করতে চাইতে পারেন।
এই ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র tension তৈরি করেছে। যদি আবার যুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে impact ফেলবে। এখন সবার নজর ট্রাম্পের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। কোনো হামলা হলে তা শুধু রাজনৈতিক নয়, বৈশ্বিক market ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকেও নাড়া দেবে।
এই ধরনের tension উত্তেজনা বাড়ানো ঠিক না। একটা যুদ্ধ শুরু হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আলোচনা ভেস্তে যাওয়াটা খারাপ, কিন্তু সামরিক action পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আরও চেষ্টা করা উচিত ছিল।
সব সময় একই গল্প— pressure চাপ না দিলে কিছু হয় না। কিন্তু এই strategy কৌশল কি আসলে স্থায়ী শান্তি আনবে?
যদি হরমুজ প্রণালীতে blockade অবরোধ হয়, তাহলে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হবে। এর প্রভাব পড়বে আমাদের পকেটে।
তিনটি নেটওয়ার্ক একসাথে খবর দেওয়াটা অদ্ভুত না? এটা কি কোনো নির্দিষ্ট message বার্তা দেওয়ার চেষ্টা না?
ট্রাম্পের উপর এত নির্ভরশীল হওয়া কতটা নিরাপদ? সিদ্ধান্ত যদি দেরিতে আসে, তখন কি হবে?