Kaliachak Case: এক মামলায় জামিন পেলেও জেলেই থাকতে হচ্ছে মোফাক্কেরুলকে
কলকাতা: কালিয়াচক কাণ্ডে ধৃত মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামের আইনি লড়াইয়ে এবার new twist । এনআইএ-র হাতে যাওয়া মামলাগুলির মধ্যে একটিতে bail মিলেছে, কিন্তু অন্য মামলায় রয়েছে জেল হেফাজতের নির্দেশ। ফলে জামিন পেলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। রাজ্য পুলিশের হাত থেকে ১২টি মামলা নিয়ে এনআইএ রি-রেজিস্টার করেছে, তার মধ্যে ৫টিতে নাম রয়েছে মোফাক্কেরুলের। এরই মধ্যে একটি মামলায় decision হয়েছে তাঁর পক্ষে, কারণ সেখানে সব charges ছিল জামিনযোগ্য।
অন্যদিকে, আদালত অন্য একটি মামলায় তাঁকে custody মঞ্জুর করেছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর জামিন পেলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। কালিয়াচকের ঘটনা রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে ব্যাপক public pressure তৈরি করেছিল। বিচারকদের ঘেরাওয়ের পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন। ভাইরাল হওয়া একটি video তাঁকে উত্তাল ভিড়ে গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিতে দেখা যায়। পুলিশের দাবি, তাঁর উস্কানিতেই পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর ছক কষছিলেন বলেও সূত্রে খবর। মোফাক্কেরুল ইসলাম রাজনীতির ময়দানে এক পরিচিত মুখ। পেশায় একজন হাইপ্রোফাইল lawyer , যিনি আগে জেলা আদালতে এবং এখন কলকাতা হাইকোর্টে প্রায়শই মামলা করেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশাল support রয়েছে।
তিনি ২০২১-এর নির্বাচনে মিমের প্রার্থী ছিলেন। যদিও ২০২৬-এর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না, মালদহ জেলায় মিমের সংগঠন মজবুত করতে তিনি ছিলেন সক্রিয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিয়াচকের ঘটনায় মিমকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন। ইটাহারের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও মালদহে কেন তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, সেই issue তৈরি হয়েছিল বিতর্ক।
এখন এই ঘটনা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলির সত্যতা নিরূপণ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া এখন quickly এগোচ্ছে, কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্তের আগে তাঁর মুক্তি অনিশ্চিত। এই মামলা রাজনৈতিক এবং আইনি উভয় ক্ষেত্রেই impact ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জামিন পেলেও জেলে থাকা কী ন্যায়বিচার? এটা তো আইনের অপব্যবহার। কোন মামলায় কী অভিযোগ, সেটা স্পষ্ট করা হোক।
এক মামলায় জামিন, অন্যত্র হেফাজত—এটা কি পুরোপুরি fair trial নির্বিচার নিশ্চিত করছে? আইনি জট তৈরি হচ্ছে না তো?
একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হলে এমনটা হতে পারে। কিন্তু যে মামলায় জামিন, সেটা আলাদা করে মুক্তি দেওয়া উচিত ছিল। এটা আইনি বিভ্রান্তি।
অভিযুক্ত হলে জেলে থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু রাজনৈতিক চাপে কি আইন বাক্য বলছে না? public trust জন আস্থা কমবে এতে।
ভাইরাল ভিডিয়ো আর সোশ্যাল মিডিয়া সমর্থন দেখে মনে হচ্ছে, এটা শুধু আইনি মামলা নয়—এটা political drama রাজনৈতিক নাটক।
যদি সত্যিই বিচারকদের ঘেরাওয়ে তাঁর ভূমিকা থাকে, তাহলে হেফাজত ঠিক আছে। কিন্তু প্রমাণ কোথায়? ন্যায্য প্রক্রিয়া মানা হোক।