তেল শুধু সংসদে, বাইরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না: জামায়াতের এমপির মন্তব্য
জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে public issue তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত দুটো পর্যন্ত তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে তেল খুঁজছিলেন, কিন্তু এক ফোঁটা পাননি। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে বলতে বাধ্য করেছে, "তেল শুধু মহান সংসদে। এত পরিমাণ waste হচ্ছে, বাইরে তেল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।"
তাঁর মন্তব্যে লুকিয়ে আছে political pressure এবং সরকারের প্রতি প্রশ্ন। জ্বালানির দুর্ভোগ জনগণের দৈনন্দিন জীবনকে কীভাবে আঘাত করছে, তা তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি সংসদের ভাষার বৈপরীত্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এর মধ্যেই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন, যেখানে গণভোটকে বৈধ বলা হয়েছে। তবে এই constitutional update না হলে সংসদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মোহাম্মদ কামাল হোসেন আরও বলেন, শহীদদের রক্তে যে রাষ্ট্র গড়া হয়েছে, তা সংবিধান পরিবর্তন ছাড়া মেরামত হবে না। এখানে তিনি রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি নিয়ে একটি core belief প্রকাশ করেছেন। এর প্রতিধ্বনি পাওয়া যায় বিএনপির সদস্যদের বক্তব্যেও, যাঁরা জুলাই সনদকে রক্তের অক্ষরে লেখা দাবি বলে অভিহিত করেছেন।
বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, বিরোধী দলের অনেকে কানকথায় ভিত্তি করে রাজনীতি করেন। তবে সমাধানমুখী national discussion দরকার। অন্যদিকে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার ছড়ানো হচ্ছে। এখানে বাক্স্বাধীনতা ও অপরাধের মধ্যে clear boundary ভুলে যাওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির আরেক সদস্য আবদুস সালাম আজাদ ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই বাঁধের কারণে বাংলাদেশ risk ছাড়া মরুভূমিতে পরিণত হতে পারে। এই প্রেক্ষিতে তিনি জিয়াউর রহমান খাল খননের আহ্বান পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব দেন, যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমর্থন করছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
তেলের মতো সাধারণ জিনিস পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু সংসদে বক্তৃতার তেল আছে—এই ব্যাপারটা deep irony গভীর বিড়ম্বনা।
সরকার যদি সত্যিই সমাধান চায়, তবে কানকথা নয়, real action বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ফারাক্কা বাঁধের কথা ঠিক বলেছেন। আমাদের নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, এটা কোনো রাজনৈতিক claim দাবি নয়, বাস্তব warning সতর্কবার্তা।
সংসদে যত তেল অপচয় হচ্ছে, তার চেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার human cost মানবিক খরচ বেশি।
বাক্স্বাধীনতা ও মিথ্যা প্রচারের মধ্যে সীমা না বোঝা হলে, গণতন্ত্রের public trust জনগণের আস্থা চলে যাবে।
জুলাই সনদ নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু আসল impact প্রভাব কি রাস্তার মানুষের জীবনে?