মাহফুজ আলম ব্যর্থ, অজুহাত দিয়ে বাস্তবতা ঢাকা যায় না
সাবেক উপদেষ্টা new অজুহাত না দিয়ে সত্য মেনে নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ এর সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তার দাবি, মাহফুজ আলম তার দায়িত্বকালে রামগঞ্জের উন্নয়নে কোনো visible ভূমিকা রাখেননি, এবং এখন reality ঢাকার চেষ্টা বৃথা।
এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে কুমিল্লা-৪ এর সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি আবেগঘন বক্তব্য, যেখানে তিনি দেবিদ্বার মহাসড়কের দুর্ভোগ ও মানুষের প্রাণহানি নিয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানান। তার দাবি, রাস্তাটি quickly প্রশস্ত করা হলে লক্ষাধিক মানুষের জীবন বাঁচবে।
মাহফুজ আলম এরপর ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, তিনি অন্য উপদেষ্টাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন কিন্তু পাননি। তিনি claim করেন, রাজনৈতিক pressure তাকে সহযোগিতা করা হয়নি। তার মতে, কাজ করার সময় এখনো আসেনি।
শাহাদাত হোসেন সেলিম এই ব্যাখ্যা মানতে অস্বীকার করেন। তার মতে, মাহফুজের হাতে যথেষ্ট power ছিল, কিন্তু তিনি কোনো real উদ্যোগ নেননি। এখন অজুহাতের আশ্রয় নেওয়া যায় না। রামগঞ্জে কোনো উন্নয়ন হয়নি, আর তার জন্য কোনো direct পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এই বিতর্ক আবার তুলে ধরেছে রাজনৈতিক দলের ভেতরের tension এবং ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে প্রশ্ন। একজন উপদেষ্টার পক্ষে কতটা support পাওয়া যায়, তা কতটা নির্ভর করে তার রাজনৈতিক influence এবং দলের ভেতরকার শক্তির মাপ-কাঠিতে—সেটাই এখন জনমানুষের কাছে অস্পষ্ট নয়।
একজন উপদেষ্টা যদি সত্যিই কাজ করতে চায়, তাহলে obstacle বাধা থাকলেও কিছুটা হলেও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু কিছুই না হওয়া মানেই আগ্রহের অভাব।
এসব অজুহাত আর কতদিন? excuse অজুহাত দিলে রাস্তা তো আপনা থেকে হবে না। মানুষ মরছে, আর তারা কথা বলছে!
শাহাদাত হোসেন সেলিম ঠিকই বলেছেন। ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কাজ না করা হলে তাকে জবাবদিহিতা মেনে নিতে হবে।
রাজনীতি কি শুধু বক্তৃতা আর blame দোষারোপ দিয়েই চলে? উন্নয়ন কবে হবে?
মাহফুজ আলম যদি সত্যিই চাইতেন, তাহলে মিডিয়া বা public pressure জনচাপ তৈরি করতে পারতেন। কিছু করা হয়নি মানেই প্রাথমিক interest আগ্রহ ছিল না।
দেখা যাচ্ছে, কোন এলাকায় কার প্রভাব বেশি, সেটাই নির্ধারণ করছে উন্নয়ন। আসলে কারও কাছে ক্ষমতা থাকলেও যদি backing সমর্থন না থাকে, তাহলে কিছু হয় না।