বিনিয়োগ টিপস: সোনা-রুপো নয়, ইরান-সংঘাত সামলেও চড়চড়িয়ে বাড়ছে এই ধাতুর দাম! তিন মাসে সর্বোচ্চ, কিনলেই মালামাল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং চীনের শিল্প নীতি পরিবর্তনের জেরে বিশ্ববাজারে risk তৈরি হয়েছিল, কিন্তু কপারের দাম সেই সংকটকে পেছনে ফেলে চড়চড়িয়ে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল সাময়িক ঘটনা নয়, বরং সরবরাহের pressure এবং বৈশ্বিক চাহিদার ভারসাম্যহীনতার প্রতিফলন। বাজার এখন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এমন একটি সময়ে যখন সোনা বা রুপোর মতো ঐতিহ্যবাহী বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে কপারের প্রতি trust বাড়ছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমেরিকা, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা কমে আসায় প্রথমে ধাতুর দাম কমেছিল। কিন্তু আবার আলোচনার সম্ভাবনা ফুটে উঠতেই কপারের দাম ফিরে উঠেছে। Moneycontrol-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কপারের দাম new high পৌঁছেছে—প্রতি টনে ১৩,২৮৪.৫০ ডলারে, যা প্রায় তিন মাসের সর্বোচ্চ। অন্যদিকে অ্যালুমিনিয়ামের দাম সামান্য কমেছে, কিন্তু বেস মেটালের বাজারে demand এখনও উচ্চমাত্রায়।
এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে চীনের ভূমিকা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। চীনের কপার স্মেল্টারগুলো উৎপাদন কমিয়েছে, কারণ সেখানে সালফিউরিক অ্যাসিড রপ্তানিতে ban জারি হয়েছে। এই অ্যাসিড কপার উৎপাদনের সময় উপ-পণ্য হিসেবে পাওয়া যায়, এবং তা বিক্রি করে ভালো মুনাফা হত। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আয় কমেছে, ফলে উৎপাদন decision নেওয়া হয়েছে কমানোর।
এই উৎপাদন হ্রাসের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে সরবরাহে। সরবরাহের shortage দাম বাড়িয়েছে, এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবার কপারের প্রতি আগ্রহ ফিরে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এখন কেবল দাম নয়, market স্থিতিশীলতার লক্ষণও দেখছে, যেখানে বৈশ্বিক চাহিদা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা একসাথে কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই দাম বৃদ্ধি স্থায়ী হতে পারে না যদি ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয় বা চীন উৎপাদন বাড়ায়। তবে এখন, কপার একটি কেন্দ্রীয় investment সম্পদ হিসেবে আবার নিজের অবস্থান করে নিচ্ছে। যারা সোনা-রুপোর বিকল্প খুঁজছেন, তাদের কাছে এটি এখন একটি আকর্ষক অপশন।
এত দাম বাড়লে সরবরাহের shortage ঘাটতি আরও বাড়বে, এটা কি ঘূর্ণির মতো হচ্ছে না?
চীনের নীতি পরিবর্তনে কেবল কপার নয়, পুরো বৈশ্বিক শিল্প chain শৃঙ্খল নাড়া খাচ্ছে।
কম উৎপাদন = বেশি দাম, কিন্তু ক্রেতারা কি সেই দাম সামলাতে পারবে? cost খরচ তো শেষ পর্যন্ত আমাদের ঘাড়েই আসবে।
কপারের দাম বাড়ছে, কিন্তু ইলেকট্রিক গাড়ি ও রিনিউয়েবল এনার্জির চাহিদাও বাড়ছে—এটা কি শুধু সংঘাতের প্রভাব নাকি দীর্ঘমেয়াদি trend প্রবণতা?
এই সব তাত্ত্বিক আলোচনা ভালো, কিন্তু আমি কি এখনই কিনব? decision সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।
যদি চীন আবার রপ্তানি খোলে, তাহলে দাম হঠাৎ কমে যেতে পারে। মার্কেটের অস্থিরতা কম নয়।