আজকের (১৫ এপ্রিল) মার্কিন ডলারের বিনিময় হার: টানা সপ্তম সেশনে ডলারের দরপতনে চাপ বাড়ছে
একের পর এক সাতটি লেনদেন সেশনে মার্কিন ডলারের দর কমছে, আর বিশ্বব্যাপী বাজারে pressure তৈরি হচ্ছে। ১৫ এপ্রিল, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ডলারের বিপরীতে ডং-এর কেন্দ্রীয় হার ২৫,১০৬ VND-এ অপরিবর্তিত রাখলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের হার কমতে শুরু করেছে। মার্কিন বাজারে, ইউএস ডলার ইনডেক্স (DXY) ০.২৫% কমে ৯৮.১২-এ দাঁড়ায়, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের value হ্রাসের প্রতিফলন।
ডলারের এই দরপতনের পেছনে দুটি মূল কারণ চোখে পড়ছে। প্রথমত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাকিস্তানে আলোচনা পুনরায় শুরুর সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। টরন্টোর করপে-এর প্রধান বাজার কৌশলবিদ কার্ল শামোটা বলেছেন, এই আলোচনা public trust ফিরিয়ে আনছে যে একটি প্রতীকী চুক্তি হতে পারে, যা অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে support করবে।
দ্বিতীয় কারণ হিসাবে উঠে এসেছে মুদ্রাস্ফীতির তথ্য। মার্কিন শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) মাত্র ০.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসিত ১.১%-এর চেয়ে অনেক কম। এই তথ্য প্রকাশের পর বাজার বুঝতে শুরু করেছে যে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে, যা ডলারের risk বাড়ায়। শিকাগো ফেডের প্রেসিডেন্ট অস্টান গুলসবি সতর্ক করেছেন যে তেলের দাম বেশি দিন উঁচুতে থাকলে সুদ হ্রাস ২০২৭ পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে।
অন্যদিকে, ইউরোর দাম ০.৩৩% বেড়ে ১.১৭৯৬ ডলারে পৌঁছেছে, আর ব্রিটিশ পাউন্ডও ০.৪৮% বেড়েছে। জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলার ০.৪৫% কমে ১৫৮.৭২ ইয়েনে নেমেছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) এখনও সুদের হার নিয়ে কোনো decision নেয়নি, কারণ ইরান সংক্রান্ত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা বড় plan নেওয়ার আগে অপেক্ষা করছেন, কারণ হোয়াইট হাউস বা ফেড থেকে যেকোনো মুহূর্তে অপ্রত্যাশিত update আসতে পারে।
মোট কথা, টানা সাত দিন ধরে ডলারের দরপতন চলছে, যা ৩ ডিসেম্বরের পর দীর্ঘতম। এই ধারা শুধু মুদ্রার বিনিময় হার নয়, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং বিনিয়োগের market প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বিনিয়োগকারীদের এখন প্রতিক্রিয়া দ্রুত করতে হবে, কিন্তু সাবধানতার সঙ্গে।
ডলার কমছে মানে আমদানি সস্তা হবে, কিন্তু রপ্তানিকারকদের জন্য risk ঝুঁকি বাড়বে। বাজারে এখন pressure চাপ সবচেয়ে বেশি।
শান্তি আলোচনার খবরে আশাবাদী, কিন্তু হোয়াইট হাউসের আগের আচরণ দেখে trust আস্থা কম। একটা new নতুন চুক্তি হবে নাকি আবার ভাঙবে?
PPI কমেছে মানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে, ফেড সুদ কমাতে পারে। কিন্তু তেলের দাম উঁচু থাকলে decision সিদ্ধান্ত বদলাবে।
বাজার এখন খুব অস্থির। কারও কাছে ডলার ধরে রাখা cost খরচ হচ্ছে, কারও কাছে ছাড়া বিপদ। quickly দ্রুত বদলাচ্ছে সব।
২% এর বেশি কমেছে ডলার, যা গত ডিসেম্বরের পর সবচেয়ে বেশি। এটা কোনো তাৎক্ষণিক issue সমস্যা নয়, বড় impact প্রভাব আসবে ধীরে ধীরে।
আমরা ইউরোতে লেনদেন বাড়াচ্ছি। ডলারের এই update আপডেট দেখে মনে হচ্ছে স্থিতিশীলতা আসতে আরও সময় লাগবে।