হরমুজে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইউয়ানে লেনদেনের পথে আরব দেশগুলো
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে কৌশলগত প্রণালী হরমুজে নিরাপত্তা risk কমাতে মার্কিন নৌবাহিনী মাইন অপসারণের জন্য জাহাজ মোতায়েনের plan ঘোষণা করেছে। কিন্তু পেন্টাগনের এই new উদ্যোগের পেছনে আসল reality শুরুতেই প্রশ্নবিদ্ধ: মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে আদৌ যথেষ্ট ক্ষমতা আছে কি এমন অভিযান চালানোর?
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও দূরত্বের pressure এবং ইরানের ঘন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের মধ্যে মার্কিন নৌবাহিনী এখন অসহায়। মাত্র চারটি ‘অ্যাভেঞ্জার-ক্লাস’ মাইন জাহাজ আছে তাদের কাছে, আর সেগুলো এখন জাপানের সাসেবোতে। হরমুজ পর্যন্ত এদের পৌঁছানো সময়ের issue নয়, প্রায় অসম্ভব। এর মধ্যে তিনটি ‘লিটোরাল কমব্যাট শিপ’-এর মধ্যে মাত্র একটি কাজের অবস্থায়। এমন সীমাবদ্ধতায় মাইন response দ্রুত হওয়া কঠিন।
আরও বড় ঝুঁকি হলো মার্কিন উভচর জাহাজগুলোর slow গতি। ইরানের ‘পার্সিয়ান গালফ’ এবং ‘ফাতেহ’ ক্ষেপণাস্ত্র এমন ধীর লক্ষ্যের জন্য তৈরি। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো প্রণালীতে direct প্রবেশ করতে পারছে না। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় 20 মিলিয়ন ব্যারেল তেল যায়। তাই এর বন্ধ হয়ে যাওয়া বিশ্ব market ও অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়।
এই trust হারানোর মুখে উপসাগরীয় দেশগুলো এখন বিকল্পের খোঁজে। মার্কিন সামরিক support নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তারা চীনের দিকে তাকিয়ে আছে। চীনের মুদ্রা ইউয়ানে লেনদেনের মাধ্যমে তারা নিরাপদ নৌপথের জন্য রাজনৈতিক decision নিচ্ছে।
সামরিক দুর্বলতা এবং অর্থনৈতিক বিকল্পের এই মিশ্রণ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন influence নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউয়ানে লেনদেন শুধু অর্থনৈতিক কৌশল নয়, বরং global ক্ষমতার নতুন ভারসাম্য গড়ার প্রথম পদক্ষেপ।
মার্কিন নৌবাহিনীর এতটাই weakness দুর্বলতা হবে, তা ভাবিনি। হরমুজ ছাড়া তেলের পথ আদৌ আছে?
ইউয়ানে লেনদেন মানে চীনের economic অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়ছে। ডলারের জায়গা কি ধীরে ধীরে নেবে ইউয়ান?
যদি ইরান আসলেই প্রণালী বন্ধ করে, তবে মার্কিন action পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে?
মার্কিন বহিষ্কারের পথে এগোচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। কিন্তু চীনের কাছে নির্ভরশীলতা কি ভালো সমাধান? risk ঝুঁকি কম নয়।
বিশ্ব trade বাণিজ্য এখন মুদ্রার প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ইউয়ান আসলে রাজনৈতিক হাতিয়ার।
হরমুজ আগেও অস্থির হয়েছে। কিন্তু এবার নৌবাহিনীর অপারেশন slow ধীর হচ্ছে, আর প্রতিক্রিয়া আরও ধীর।