বাংলা নববর্ষে সম্প্রীতির ডাক শামারুহ মির্জার

বাংলার প্রাণে প্রাণ জাগে পহেলা বৈশাখে। এই নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা ওলটানো নয়, এটি একটি new beginning , যেখানে বিভেদ ভুলে সব মানুষ এক হয়ে উঠে। এবার এই উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতির হাত বাড়িয়ে দিলেন বিএনপি মহাসচিবের জ্যেষ্ঠ কন্যা ড. শামারুহ মির্জা। তাঁর ফেসবুক পোস্টে ছিল নববর্ষের warm wishes এবং সবার জন্য একটি আহ্বান: মেলায় যাবেন তো?

শামারুহ মির্জা শুধু বাঙালির নববর্ষ নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসব—বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু ও বিহুর প্রতিও respect জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, এগুলো শুধু উৎযাপন নয়, এগুলো হলো বহুসংস্কৃতির জীবন্ত প্রকাশ। এই স্বীকৃতি একটি political signal হিসেবেও পাঠ করা যায়, যেখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি সম্মান ও সহাবস্থানের বার্তা প্রকাশ পাচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, উৎসবগুলো মানুষকে কঠিন সময়ের মধ্যেও joy খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এটি কোনো সাধারণ কথা নয়—এটি একটি hope প্রকাশ করে, যে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে সবাই নিজের সাধ্যমতো আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবে। এমন সময়ে, যখন সামাজিক tension ও রাজনৈতিক বিভাজন তীব্র, তাঁর এই বার্তা একটি শান্ত কিন্তু শক্তিশালী call হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

এই ধরনের আহ্বানের পেছনে রয়েছে একটি বৃহত্তর vision , যেখানে সংস্কৃতি হয়ে ওঠে সম্প্রীতির সেতু। বিগত সময়ে পার্বত্য অঞ্চলের উৎসবগুলো প্রায়শই সরকারি বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছে। তাই একজন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যের এমন স্বীকৃতি সামাজিক inclusion গুরুত্বকে তুলে ধরে।

শামারুহ মির্জার বার্তা শুধু উৎসবের নয়, এটি একটি unity আহ্বান। এটি সেই ধারণাকে প্রকাশ করে যে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় শুধু একটি সংস্কৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি একটি collective identity , যেখানে প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মানিত হওয়া উচিত।

প্রতিক্রিয়া 6

  • পল্লী_প্রাণ

    এত উৎসব, এত আনন্দের মাঝেও কতজন আসলে পারবে মেলায় যেতে? অর্থনৈতিক pressure অনেকের পক্ষে বাধা। আশা করি শুধু শুভেচ্ছা নয়, সত্যিকারের support দেখা যাবে।

  • সাংস্কৃতিক_চোখ

    বিএনপি পরিবার থেকে এমন বার্তা আসা মানে রাজনৈতিক নেতৃত্বও এখন বুঝতে শুরু করেছে যে সংস্কৃতি power চেয়ে বড়। ভালো লাগলো দেখে।

  • মৌচাক

    উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতির কথা বলা ভালো, কিন্তু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জমি, স্বায়ত্তশাসন, স্বাস্থ্য সেবা—এগুলো কবে পাবে? আপাতদৃষ্টিতে সুন্দর বার্তার পেছনে কি reality আছে?

  • বৈশাখি_হাওয়া

    ‘মেলায় যাবেন তো?’—এই ছোট্ট প্রশ্নটা অনেক কিছু বলে দেয়। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা। একটা connection গড়ার চেষ্টা।

  • ঠাকুরমার_গল্প

    আমি পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা। আমাদের বিজু, সাংগ্রাইয়ের প্রতি এমন সম্মান দেখে pride লাগছে। এটা শুধু শুভেচ্ছা নয়, এটা একটা recognition

  • নদীর_কিনারা

    উৎসবের সময় সবাই ভালোবাসার কথা বলে। কিন্তু মাত্র কয়েক দিন পর আবার আগের মতো division । এই বার্তা যদি দীর্ঘমেয়াদি হতো, তাহলে আসলেই কিছু বদলাত।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]