৮টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, তবু সঞ্চয় কম—ভোটের আগে নজরে সায়ন্তিকার সম্পত্তির অবস্থা
ভোটের ময়দানে নামতেই আলোচনার কেন্দ্রে এলেন টলিউডের অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে new candidate হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নিয়ে আসা তাঁর এই পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক ঘটনাই নয়, public interest জাগানিয়া ঘটনা। হলফনামা জমা দেওয়ার মাধ্যমে তিনি নিজের আয়, সম্পত্তি এবং ঋণের খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন—যা স্বচ্ছতার একটি গুরুত্বপূর্ণ step ।
তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যাঙ্কে তাঁর ৮টি অ্যাকাউন্ট থাকলেও সেগুলোতে জমা অর্থ মাত্র প্রায় ৩৬ হাজার টাকা। কোনওটিতে কয়েক হাজার, কোনওটিতে বা মাত্র ১ টাকা। হাতে-নগদ রয়েছে মাত্র ৪৩ হাজার টাকার কিছু বেশি। এমন সীমিত savings একজন গ্ল্যামার দুনিয়ার পরিচিত মুখের জন্য বেশ চমকপ্রদ। তবু এটি আর্থিক reality হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।
আর্থিক চিত্রের অন্য প্রান্তে রয়েছে একটি ৪৩ লক্ষ টাকার মার্সিডিজ বেঞ্জ, যা তিনি ২০১৮ সালে কিনেছিলেন। এছাড়া সোনার গয়না ও অন্যান্য অলঙ্কার মিলিয়ে রয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার সম্পদ। কিন্তু এই assets যেন ভারসাম্যহীন, কারণ তাঁর মোট ঋণ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা—গাড়ি ঋণ, ব্যক্তিগত ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া সহ। এমনকি বকেয়া জিএসটি-র অঙ্কও রয়েছে। এটি স্পষ্ট করে যে উচ্চমানের জীবনযাপনের পেছনে রয়েছে উচ্চ financial pressure ।
লক্ষণীয় যে, তাঁর নামে কোনও বাড়ি, ফ্ল্যাট বা জমি নেই। এটি অন্যান্য তারকা প্রার্থীদের তুলনায় তাঁকে আরও বেশি সাধারণ আর্থিক পটভূমিতে ফেলে। ২০২০-২১-এ তাঁর আয় ছিল প্রায় ১১ লক্ষ টাকা, যা গ্ল্যামার জগতের মানদণ্ডে তুলনামূলকভাবে কম। হলফনামার মাধ্যমে এই ধরনের transparency ভোটকালীন আলোচনায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করছে। তারকা হয়েও আর্থিক অসুবিধা থাকা অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু তা প্রকাশ করার courage অনেকের কাছে প্রশংসার যোগ্য।
৮টা অ্যাকাউন্টে মাত্র ৩৬ হাজার টাকা? এটা তো আমার মাসিক expenses খরচের চেয়েও কম।
গাড়ির জন্য ৪০ লক্ষ টাকা ঋণ, কিন্তু বাড়ি নেই—এটা কি আদৌ financial planning আর্থিক পরিকল্পনা?
তারকারা সবসময় সম্পদের চেহারা বানায়, কিন্তু ভিতরে অনেকের debt ঋণ আছে। সায়ন্তিকা কমপক্ষে সত্যি বললেন।
একজন প্রার্থীর আর্থিক হলফনামা এতটা আলোচিত হওয়া মানে জনতা trust আস্থা চায়, কেবল প্রতিশ্রুতি নয়।
১১ লক্ষ টাকা আয় কম? সাধারণ মানুষের কাছে তো বিশাল income আয়, কিন্তু এখানে তা কম বলা হচ্ছে!
বাড়ি না থাকা মানে স্থায়িত্বের অভাব। রাজনীতিতে stability স্থিতিশীলতা কি কখনও আসবে?