হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহজনক হামে গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত deaths হয়েছে ১৯০ জনের। বুধবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৬৪ জনে।
গত এক দিনে আরও ১ হাজার ২২৯ জনের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা গেছে, যা নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে concern বাড়ছে। পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় confirmed হাম রোগীর সংখ্যা ১২৯ জন। এই সময়কালে মোট নিশ্চিত রোগী হয়েছে ৩ হাজার ৯৩৪ জন।
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯৮ জন, আর recovered হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮৯২ জন। এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে রোগটি দ্রুত ছড়াচ্ছে, কিন্তু treatment এবং হাসপাতালভিত্তিক সাড়া এখনও কার্যকর।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি, কিন্তু সন্দেহজনক মামলাগুলোতে মৃত্যু হওয়া শিশুদের সংখ্যা সত্যিই warning ডাক দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কর্মসূচি জোরদার effort ছাড়া এই মহামারির প্রাদুর্ভাব রোধ করা যাবে না।
এতগুলো শিশুর মৃত্যু শুনে বুক ফেটে যাচ্ছে। vaccination টিকাদান এখন আর বাছাইয়ের বিষয় নয়।
সরকার কি সত্যিই public health জনস্বাস্থ্য নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে? নিয়মিত তথ্য দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু action ব্যবস্থা কই?
গ্রামের দিকে খেয়াল রাখুন। ওখানে awareness সচেতনতা খুব কম, আর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছায় না।
১৯০ জনের মৃত্যু? এ কি আর সাধারণ outbreak প্রাদুর্ভাব নাকি মহামারি হয়ে যাচ্ছে?
হাসপাতালে ভর্তি ১৮ হাজারের কাছাকাছি, কিন্তু মাত্র ১৫ হাজার সুস্থ। সুস্থতার হার কি ঠিক আছে?
একদিনে আরও হাজারের বেশি নতুন কেস? এটা দেখে মনে হচ্ছে spread ছড়াচ্ছে খুব দ্রুত।
সন্দেহজনক মামলায় মৃত্যু মানে রোগটা নির্ণয়ে delay বিলম্ব হচ্ছে। সেটা কেন?