বক্স অফিসে ধুঁকছে ধুরন্ধর টু: ১৫৬৪ কোটি ছাড়িয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরি করল ইতিহাস
new ইতিহাস creates করেছে বলিউড—বক্স অফিসে এখন ঝড় বইছে শুধু নয়, সাগরের স্রোতের মতো গড়িয়ে যাচ্ছে সুপারস্টার রণবীর সিং-এর স্পাই-থ্রিলার ‘ধুরন্ধর টু’। মুক্তির মাত্র ১৭ দিন পার হতে না হতেই বিশ্বব্যাপী মোট আয় crossed ১ হাজার ৫৬৪ কোটি ৩০ লাখ ভারতীয় টাকা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৬০৫ কোটি। এই গতি যদি বজায় থাকে, বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মতে ছবিটি খুব শীঘ্রই ১৬০০ কোটির মাইলফলক touch করবে।
Directed আদিত্য ধর-এর এই ব্লকবাস্টার বলিউডের বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে কথা বলছে। Film এখন আয়ের নিরিখে ‘দাঙ্গাল’, ‘বাহুবলী টু’ এবং ‘পুষ্পা টু’-এর মতো কিংবদন্তি সিনেমাগুলির সারিতে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু আসল চমক হলো ফ্র্যাঞ্চাইজির সামগ্রিক সাফল্যে। প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী মোট আয় এখন ২ হাজার ৮৭১ কোটি ৬৫ লাখ রুপি—সমষ্টিগত ভাবে এটি ‘বাহুবলী’ বা ‘পুষ্পা’-র মতো বিশাল চলচ্চিত্র জগতের থেকেও এগিয়ে।
According স্যাকনিল্ক-এর প্রতিবেদন, দর্শকদের ভিড় মুক্তির ১৭তম দিনেও প্রেক্ষাগৃহে ছিল উপচে পড়া। শুধু ভারতেই ওই দিন earned করেছে ২৫ কোটি ৬৫ লাখ রুপি। এখন পর্যন্ত ভারতের বাজারে মোট আয় ১ হাজার ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৩৮৫ কোটি। হিন্দির পাশাপাশি Tamil ও Telugu ভাষায় ছবিটি অপ্রত্যাশিতভাবে দর্শক draw । ভারতজুড়ে approximately ৯ হাজার ৯৭৯টি প্রেক্ষাগৃহে এটি প্রদর্শিত হচ্ছে।
গল্প বলার ক্ষেত্রে ছবিটি মাস্টারক্লাস দিয়েছে। First week ৬৭৪ কোটি ১৭ লাখ আয় করে দৃঢ় ভিত গেড়েছিল, দ্বিতীয় সপ্তাহে আয় ২৬৩ কোটি ১৫ লাখ। মুক্তির ১১ দিনেই এটি প্রথম পর্বের জীবনকালের আয়ের রেকর্ড ধ্বংস করে দিয়েছে। দ্বিতীয় সপ্তাহের পারফরম্যান্সে এটি শাহরুখ খানের ‘জাওয়ান’ এবং যশের ‘কেজিএফ টু’-কেও পেছনে ফেলেছে। Duration ৩ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট, তবু audience বিরক্তি এনে দেয়নি এক মুহূর্তের জন্যও—এটি হলো বিরল সাফল্য বাণিজ্যিক সিনেমার ক্ষেত্রে।
কাহিনি ঘোরে এক তরুণ পাঞ্জাবি যুবক জসকিরত সিং রাঙ্গি-কে ঘিরে, যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে পরিবার হারায়। পরবর্তীতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে transforms হয় ‘হামজা আলী মাজারি’ হিসেবে, করাচির আন্ডারওয়ার্ল্ডের এক ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা। স্পাই ফিকশনের আবরণে পরিচালক নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ২০১৬ সালের নোটবন্দী—বাস্তব রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যা সিনেমাকে গভীরতা এনে দিয়েছে।
রণবীরের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে হিসাবে তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা। সঞ্জয় দত্ত এবং অর্জুন রামপালের বলিষ্ঠ উপস্থিতি ছবিটিকে পূর্ণতা দিয়েছে। চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে, আধুনিক নির্মাণশৈলী আর দেশপ্রেমের সংমিশ্রণে ‘ধুরন্ধর টু’ এখন ভারতের এক নতুন গর্ব, যা বিশ্ব বাজারে বৈশ্বিক স্বীকৃতি আদায় করছে।
এটা শুধু একটা ছবি না, এটা একটা সাংস্কৃতিক ঢেউ। আমি কখনো ভাবিনি রণবীর এত তীব্র ভাবে অভিনয় করতে পারবেন। সেই রূপান্তর দেখে চোখ ছানাবড়া!
একজন পাঞ্জাবি হিসেবে, আমি গর্বিত বোধ করেছি যে মূল চরিত্রটি আমাদের মাটির। জসকিরত-এর ব্যথা, সংগ্রাম—সবকিছু খুব বাস্তব মনে হয়েছে।
৩ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট! Usually সাধারণত এত দীর্ঘ ছবি মাঝপথে skip স্কিপ করি, কিন্তু এক মুহূর্তও চোখ ঘুরাতে পারিনি। এটাই হলো ম্যাজিক।
ফ্র্যাঞ্চাইজির মোট আয় ২,৮৭১ কোটি? মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া! এটা ‘বাহুবলী’-কেও ছাড়িয়ে গেছে? হিন্দি সিনেমার এই যুগ সত্যিই অপ্রতিরোধ্য।
‘র’-এর এজেন্ট হিসেবে গোপনে করাচিতে প্রবেশ... স্পাই বিভাগের ছবি হিসেবে এটা পুরোপুরি সঠিকভাবে করা। দেশপ্রেমের উত্তেজনা আলাদা।
২৫ কোটি আয় ১৭তম দিনে? এটা পাগলামি! ছবি মুক্তির প্রথম সপ্তাহের পর আয় সাধারণত কমে, কিন্তু এখানে আয় বাড়ছে। গোপন কী?
ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর আলাদা high হাই এনে দিয়েছে। চিত্রগ্রহণ এবং editing সম্পাদনা এত টানটান যে সময়ের হিসাব ভুলে যাও। সব প্রশংসা এর দাবিদার।
বাস্তব ঘটনা মিশ্রণ করে রাজনৈতিক গভীরতা আনা হয়েছে—চালাকির পদক্ষেপ। নোটবন্দীর ইঙ্গিত ছিল সূক্ষ্ম, কিন্তু শক্তিশালী।