জনসচেতনতা বাড়াতে বিটিভিতে তামাক বিরোধী প্রচারণা
জনসচেতনতা বাড়াতে new campaign হিসেবে বিটিভিতে তামাক বিরোধী তথ্যচিত্র প্রচার করা হচ্ছে, যা তামাকের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক impact সম্পর্কে সতর্ক করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এবং ভাইটাল স্ট্রাটেজিস-এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই প্রচারণাগুলো public awareness বাড়ানোর লক্ষ্যে নিয়মিত সম্প্রচারিত হচ্ছে।
প্রচারিত তিনটি ভিডিও হলো – ‘ই-সিগারেট’, ‘ধূমপান ত্যাগ’ এবং ‘তামাক চাষ ও পরিবেশ’। প্রথমটিতে health risk সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়েছে এবং স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে ই-সিগারেট নিরাপদ বিকল্প নয়। দ্বিতীয় ভিডিওটি দেখায় ধূমপান ছাড়ার পর শরীরে positive change কীভাবে শুরু হয় এবং সময়ের সাথে risk কমে যায়।
‘তামাক চাষ ও পরিবেশ’ শিরোনামের ভিডিওটিতে তামাক চাষের প্রভাব হিসেবে কৃষিজমির উর্বরতা হ্রাস, বন loss , প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় এবং পরিবেশ দূষণ তুলে ধরা হয়েছে। এই সব কারণে তামাক শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, গোটা পরিবেশের জন্যও serious threat হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভিডিওগুলো বিটিভিতে peak hour প্রচারের পাশাপাশি স্টপ টোব্যাকো বাংলাদেশের ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকডইন, ইনস্টাগ্রাম ও এক্স সহ সামাজিক মাধ্যমেও ছড়ানো হচ্ছে। বেসরকারি সংস্থাগুলোও এগুলো নিজস্ব প্ল্যাটফরমে support করছে, যা বার্তার পৌঁছানোকে quicker করে তুলছে।
ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের প্রচারণা সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণে strong commitment প্রকাশ করে। তিনি আহ্বান জানান, ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ গঠনে প্রতিটি নাগরিক ও সংস্থার active participation অপরিহার্য।
এই ধরনের awareness সচেতনতা প্রচারণা দরকার, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে।
বিটিভিতে পিক-আওয়ারে প্রচার মানে সত্যিই public impact জনগণের ওপর প্রভাব পড়বে।
তামাক চাষের পরিবেশগত damage ক্ষতি নিয়ে কথা উঠলে ভালো হয়।
ই-সিগারেট নিয়ে ভুল ধারণা অনেকের, এটা risk ঝুঁকি কম মনে হয়।
ধূমপান ছাড়ার পর শরীরে পরিবর্তন নিয়ে ভিডিওটা অনেক positive ইতিবাচক লাগবে।
সব সংস্থার সমন্বয় হলে এই campaign প্রচারণা আরও কার্যকর হবে।