মেয়ে হওয়ায় ঘর ছেড়েছিলেন বাবা, মায়ের একার লড়াইয়ে আজ সাফল্যের শিখরে সোদপুরের বৈজন্তী
মেয়ে হওয়ার কারণে বাবা ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু মায়ের একার লড়াইয়ে আজ new record গড়েছেন সোদপুরের বৈজন্তী ব্যানার্জি। উত্তর ২৪ পরগনার নারায়ণা স্কুলের ছাত্রী বৈজন্তী ৫০০-এর মধ্যে ৪৯৮ নম্বর পেয়ে স্কুলের টপার হয়েছেন। বাংলা, গণিত, বিজ্ঞান এবং তথ্য প্রযুক্তিতে পেয়েছেন পুরো ১০০ নম্বর। এই সাফল্য শুধু তার নিজের নয়, বরং তার মায়ের অটুট support এবং স্কুলের শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফল।
বৈজন্তীর মা অনুসূয়া ব্যানার্জি জানান, মেয়ে হওয়ার পর থেকেই তার স্বামী পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া থেকে সরে দাঁড়ান। তারপর থেকে তিনি একাই মেয়েকে মানুষ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি কখনও মেয়ে বলে তাকে পিছিয়ে পড়তে দিইনি। কোনো private tutor ছাড়াই শুধু স্কুলের পড়াশোনায় নির্ভর করে ও এই ফল করেছে।”
বৈজন্তী নিজেও মায়ের প্রতি gratitude প্রকাশ করে বলেছেন, “এই সাফল্যের মূল স্তম্ভ আমার মা।” স্কুলের জোনাল হেড সেরিনা দাস জানান, “পারিবারিক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে মা-মেয়ের এই সাফল্য সমাজের জন্য একটি powerful message ।”
বৈজন্তী ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু তার মতে, এমন পরিবার থেকে এই লক্ষ্য অর্জন করা challenge । তবু তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক পরিবেশ এবং নিজের প্রচেষ্টা থাকলে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
এই গল্প শুধু একটি ছাত্রীর সাফল্যের নয়, এটি মেয়েদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর opportunity । এটি প্রমাণ করে যে সমান opportunity পেলে মেয়েরা কোনো ছেলের চেয়ে কম নয়। বিশ্বজুড়ে যেখানে মেয়েদের শিক্ষায় বাধা তৈরি হয়, সেখানে এই ঘটনা একটি আশার আলো।
মেয়ে হওয়ায় বাবা চলে গেলেন? এমন ভাবনা আজও কত জায়গায়! এই সাফল্য তাদের জন্য direct response সরাসরি জবাব।
স্কুলের পড়াশোনাই যথেষ্ট — এটা দেখিয়েছে বৈজন্তী। গৃহশিক্ষক ছাড়াই এত ভালো ফল, এটা real achievement আসল সাফল্য।
মায়ের সংগ্রাম ভাবলে চোখ ভিজে আসে। কিন্তু এই ধরনের গল্প দেখায় যে একজন মা decision সিদ্ধান্ত নিলে কত কিছু বদলানো যায়।
৪৯৮/৫০০ — এটা শুধু নম্বর নয়, এটা একটা statement ঘোষণা। মেয়েদের ক্ষমতায় সন্দেহ কারও থাকা উচিত নয়।
স্কুলের শিক্ষকদের ভূমিকাও অবহেলন করা যায় না। তাদের support সমর্থন ছাড়া এতটা ভালো ফল হওয়া কঠিন ছিল।
এখনো অনেক পরিবারে মেয়েদের পড়াশোনায় গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা কবে বদলাবে? real question আসল প্রশ্ন এটাই।