মহারাষ্ট্রে নাবালক যৌন হেনস্থা, অভিযুক্তের বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার, এটি কি বিচার?
মহারাষ্ট্রের এক ভয়াবহ case , যেখানে ১৮০ জন minor যৌন abuse শিকার হয়েছেন, তার পরই অভিযুক্ত মহম্মদ আয়াজ় ওরফে তনবীরের বাড়ির একাংশ বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। অমরাবতী জেলার পারাটওয়াড়া শহরে ঘটা এই ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে।
প্রশাসনের দাবি, অভিযুক্তের বাড়িটি বেআইনি নির্মাণ ছিল, এবং তাই তা ভাঙার decision নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে: এটি কি আদৌ justice ? নাকি শুধু একটি প্রকাশ্য action , যা pressure কমাতে চায়? বাড়ি ভাঙার মাধ্যমে শিকারদের trust ফিরে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
এ ধরনের পদক্ষেপ ভারতে একটি growing trend , যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃশ্যমান response দেখানো হয়। কিন্তু আইনি process সময়সাপেক্ষ, এবং বুলডোজারের মাধ্যমে বাড়ি ভাঙা সেই system সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে বিতর্ক চলছে।
আন্তর্জাতিক মহলও এই ধরনের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে। কারণ, এটি কেবল একটি স্থানীয় ঘটনা নয়—এটি আইনের শাসন এবং সরকারি power ব্যবহার নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন তুলে ধরে। নাবালকদের protection অবশ্যই অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, কিন্তু তার জন্য আইনের বদলে যদি বুলডোজার হয় প্রধান হাতিয়ার, তবে তা ভবিষ্যতে কী ঝুঁকি তৈরি করবে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে।
বাড়ি ভাঙা দেখে মনে হচ্ছে প্রশাসন ক্ষমতা দেখাচ্ছে, কিন্তু আসল justice বিচার কি হবে? মামলা চলবে বছরের পর বছর।
এতগুলো শিশুর abuse হেনস্থা হলো, এখন বাড়ি ভাঙলে কী লাভ? শিকারদের support সমর্থন দরকার, নাটক নয়।
এটা কি সত্যিই আইনের শাসন, নাকি শুধু জনমন জয় করার চেষ্টা? খুব risk ঝুঁকি আছে এটা রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে যাওয়ার।
আইনি process প্রক্রিয়া ধীরে হয়, কিন্তু এর বদলে বুলডোজার কি সমাধান? ভয় দেখানো আর বিচার এক নয়।
প্রশাসন দ্রুত action অভিযান চালালেও, আসল পরিকল্পনা কী? শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, পুলিশ response প্রতিক্রিয়া—সবই তো কাজ করতে হবে।
আমরা কি এখন প্রতিটি অপরাধের জবাব চাই bulldozer বুলডোজার দিয়ে? আইনের বদলে যদি শক্তি হয় মাপকাঠি, তবে পরবর্তী কী হবে?