দীপিকা কক্কর: মানতে হচ্ছে অনেক বিধিনিষেধ, MRI করতে গিয়ে কান্না! দীপিকা কি ফিরে গুরুতর অসুস্থ?
অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর তাঁর ক্যানসার চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক চাপ মোকাবিলার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সুস্থ থাকার জন্য তাঁকে the rules মেনে চলতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সকালে হাঁটা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং বিকেলের মধ্যে খাওয়া শেষ করা। রাতে কিছু খাওয়া নিষেধ, এবং সন্ধ্যার পর উপোস করা তাঁর নতুন জীবনযাত্রার অংশ।
দীপিকা জানিয়েছেন, তাঁর জন্য এই পরিবর্তনগুলি মোটেও সহজ নয়। তবে তিনি gradually এগুলির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। তাঁর মনে হয়, জীবনের এই নতুন রূপকে মেনে নেওয়াই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে পারছেন না, কারণ শারীরিক কাজের ক্ষমতা কমে গেছে।
MRI করার সময় তিনি কাঁদতে শুরু করেন, যদিও প্রক্রিয়াটি কষ্টকর নয়। তাঁর মনে হয়েছিল, কাঁদলে মনটা lighter হয়ে যায়। দীপিকা আগেও ক্যানসার জয় করেছিলেন, কিন্তু যকৃতে ফের দুটি নতুন বিন্দু ধরা পড়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এখন চিকিৎসকরা নতুন করে বিভিন্ন tests চালাচ্ছেন এই বিন্দুগুলির কারণ খুঁজতে।
এই ধরনের পুনরাবৃত্তি ক্যানসার আক্রান্তদের মধ্যে খুব সাধারণ নয়, কিন্তু সম্পূর্ণ বিরলও নয়। দীপিকার মতো ব্যক্তিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে সাধারণ মানুষ ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য নতুন করে courage পান। তাঁর খোলামেলা আলোচনা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে।
সুস্থতা কেবল শারীরিক নয়, মানসিক স্থিতিও তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীপিকার মতো ব্যক্তিরা যখন তাঁদের struggles আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরেন, তখন সমাজ ধীরে ধীরে অসুস্থতা নিয়ে লাজ বা ভয় কমাতে শেখে। তাঁর গল্প কেবল একজন অভিনেত্রীর নয়, এটি আজকের অসুস্থ মানুষের সাধারণ বাস্তবতার প্রতিফলন।
প্রতিদিন হাঁটা আর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সত্যিই help সাহায্য করে। আমার মাও একই করেন।
উপোস করা এবং রাতে খাওয়া নিষেধ... এটা খুবই strict কঠোর নিয়ম। কিন্তু যদি সুস্থতা ফিরে পাওয়া যায়, তাহলে মূল্য দেওয়া উচিত।
কাঁদলে মন হালকা হয়—এই কথাটা খুব সত্য। আমিও এমন moments মুহূর্তে কাঁদি। এটা কোনো দুর্বলতা নয়।
যকৃতে ফের সমস্যা? এটা তো খুব serious গুরুতর। দীপিকা ফিরে পাবেন সুস্থতা, এই কামনা করি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন সত্য গল্প শেয়ার করা খুব important গুরুত্বপূর্ণ। এতে অন্যরাও ভয় পায় না।
MRI-এর সময় কাঁদা দেখে মন খারাপ হলো। এটা শুধু শারীরিক নয়, emotional আবেগপ্রবণ যন্ত্রণাও।
ক্যানসারের পর ফিরে আসাটাই একটা যুদ্ধ। আর এবার আবার? তাঁর strength শক্তি দেখে মুগ্ধ।
আমরা মাঝে মাঝে রোগীদের বলি 'সাহসী হও', কিন্তু আসলে তাঁরা আমাদের চেয়ে বেশি brave সাহসী।