‘ভালোবাসায় এখনও আস্থা আছে’, বিবাহ বিচ্ছেদে আফসোস নেই হংসিকার!
‘love এখনও trust আছে’, বলছেন অভিনেত্রী হংসিকা মোতওয়ানি, যিনি সম্প্রতি স্বামী সোহেল খাটুরিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মুখ খুলেছেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে হওয়ার প্রায় তিন বছর পর, ২০২৬ সালের মার্চে তাঁদের ডিভোর্স মঞ্জুর হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোনো regret নেই তাঁর। তিনি বলেন, “মানুষ ক্লিকবেট চেয়েছিল, পেয়েছে। আমি কখনও কিছু ব্যাখ্যা করিনি, করবও না কারণ সেটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।”
হংসিকা স্পষ্ট করেন, তাঁর জীবনের সিদ্ধান্তগুলো তাঁর নিজের। তিনি বলেন, “ভুল ট্রেনে চড়ে কষ্ট পাওয়ার চেয়ে মাঝপথে নেমে যাওয়াই better । আমার কোনও আফসোস নেই। আমি এখন যেখানে আছি, সেটাই ঠিক আছে।” মায়ের একটি কথা তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে: “তোমার কষ্ট অন্য কারও entertainment হতে পারে না।” এই কথাটি মাথায় রেখে তিনি কষ্টের সময়ও কাউকে কিছু বুঝতে দেননি।
গত দুই বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে এক অন্ধকার পথে হাঁটছিলেন। “আমি খুব অন্ধকার এক সময়ে ছিলাম, তখন mental health সম্পর্কে কিছুই বুঝতাম না।” এক বন্ধুর পরামর্শে তিনি থেরাপি শুরু করেন। দুই বছর ধরে চলা এই প্রক্রিয়া তাঁকে নিজেকে আবার চিনতে শিখিয়েছে। “এখন যেসব পরিস্থিতি সামলাতে পারতাম না, সেগুলো manage পারি।”
আধ্যাত্মিকতাও তাঁকে সাহায্য করেছে। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় বিশ্বাস থাকলেও গত আড়াই বছরে তা আরও গভীর হয়েছে। “আমি হনুমানজির প্রার্থনা শুরু করি। আধ্যাত্মিকতা আর হনুমানজির আশীর্বাদ ছাড়া এই সময়টা পার করতে পারতাম না।” পরিবারের অটুট support ছিল তাঁর পাশে, বিশেষ করে মা ও ভাই। “তুমি যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তোমার পাশে আছি,” এই কথা শুনে তিনি শক্তি পেয়েছেন।
বিয়ের ভাঙনের কারণ নিয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত জানাননি। “আজও কেউ জানে না আমাদের মধ্যে কী হয়েছিল, এটাই ভালো। দু’জন মানুষের মধ্যে কী ঘটে, তা শুধু তারাই জানে।” তবুও, তিনি স্পষ্ট করেন, ভালোবাসার প্রতি তাঁর faith কমেনি। “আমি ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। ভালোবাসা খুব সুন্দর। কখন সঠিক সময় আসবে জানি না, সময়ই পথ দেখাবে। যা আমার জন্য লেখা, তা হবেই।”
থেরাপি সত্যিই একটা lifesaver জীবনরক্ষাকারী হতে পারে। দেখে ভালো লাগছে সেটা নিয়ে আর লুকোচুরি করছেন না।
“ক্লিকবেট চেয়েছিল, পেয়েছে” – এই লাইনটা একা দাঁড়িয়ে থাকে। সেলিব্রিটি হওয়ার চাপ কতটা বাস্তব, তা আমরা কমই বুঝি।
যখন মানসিক অবস্থা খারাপ হয়, তখন মানুষ মনে করে হাসিখুশি হওয়া উচিত। কিন্তু হংসিকা বলছেন, তিনি সাধারণত হাসিখুশি, তাই তাঁকে দেখে পরিবার চিন্তিত হয়েছিল। এটাই তো সমস্যা – মানুষ pressure চাপ তৈরি করে সবসময় ভালো থাকার।
মা-ভাইয়ের সমর্থন ছাড়া এত কিছু সম্ভব হত না। সত্যিই, family support পরিবারের সমর্থন কখনও কম মূল্যায়ন করা উচিত নয়।
ভালোবাসায় বিশ্বাস হারানো সহজ, কিন্তু ফিরে পাওয়া অনেক বড় সাহসের কাজ। তাঁকে সালাম।
আধ্যাত্মিকতা আর থেরাপি – দুটোই তাঁকে সাহায্য করেছে। মনে হচ্ছে আধুনিক জীবনে এই দুটো balance ভারসাম্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।