পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন: হেভিওয়েট প্রার্থীদের লড়াইয়ে চড়ছে ভোটের মাঠ
পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা election ঘিরে রাজনৈতিক tension ক্রমশ চরমে পৌঁছেছে। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআইএম এবং আইএসএফ-সহ একাধিক দল মাঠে নেমেছে জোরদার campaign চালাতে। টানা তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল চাচ্ছে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতা ধরে রাখতে, অন্যদিকে বিজেপি দাবি করছে এবার সরকার গড়বে তারাই।
বিশেষ দৃষ্টি এখন ভবানীপুর আসনের দিকে, যেখানে chief minister মমতা ব্যানার্জি নিজেই লড়ছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। শুভেন্দু একইসঙ্গে নন্দীগ্রামেও candidate , যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মহলে নিয়েছে বিশেষ attention । অন্যদিকে, কলকাতা বন্দরে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন ফিরহাদ হাকিম, যদিও খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী সাবেক রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বামফ্রন্টের পতনের পর ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসা তৃণমূল এখন তার সবচেয়ে বড় challenge মোকাবিলা করছে। বিজেপি ২০২১-এ ৭৭টি আসন পাওয়ার পর এবার আরও ভালো ফলের আশা করছে। কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী বহরমপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যেখানে সিপিআইএমের হয়ে যাদবপুরে লড়ছেন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।
নতুন দল এজেইউপির নেতা হুমায়ুন কবীর রেজিনগর ও নওদা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাবড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, আবার কামারহাটিতে ভোটে নেমেছেন মদন মিত্র। আইএসএফের মোহাম্মদ নওশাদ সিদ্দিকী ভাঙ্গরে একমাত্র seat ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
রাজ্যের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষে result ঘোষিত হবে আগামী ৪ মে। কে বসবে নবান্নে, তা নির্ভর করছে ভোটারদের সিদ্ধান্তের উপর। এখন থেকে সেদিন পর্যন্ত প্রতিটি আসনের লড়াই হবে কাউন্টিংয়ের দিন পর্যন্ত চোখের জলের মতো।
ভবানীপুর আসনটা সত্যিই crucial অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা নিজেই এখানে লড়ছেন, আর বিজেপির হয়ে শুভেন্দু — এটা শুধু ভোট নয়, এটা symbolic প্রতীকী লড়াই।
দিলীপ ঘোষ খড়গপুরে? তার আগের performance কর্মকাণ্ড ভালো ছিল না, এবার ভোটাররা কী সিদ্ধান্ত নেবে দেখা যাক।
হুমায়ুন কবীর দুটো আসনে লড়ছেন? এটা strategy কৌশল নাকি ঝুঁকি? একসঙ্গে দুই জায়গায় প্রচার চালানো কি possible সম্ভব?
আইএসএফ শুধু ভাঙ্গরেই লড়ছে? তাদের এতটা influence প্রভাব আছে নাকি শুধু এই একটা আসনে?
২০১১ থেকে রাজনৈতিক shift পরিবর্তন চোখে পড়ার মতো। বামফ্রন্টের পতন, তৃণমূলের উত্থান, এখন বিজেপির চাপ — গত ১৫ বছর রাজ্যের রাজনীতি বদলে দিয়েছে।
৪ মে ফল আসার আগে পর্যন্ত প্রতিটি দিন tense চাপের। মিডিয়া, দল, ভোটার — সবাই এখন anxious উদ্বিগ্ন।