তাপে পুড়ছে দেশ: ছয় জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ, আজ কি কমবে তাপমাত্রা?
পয়লা বৈশাখে গরমের new দাপট দেখা দিয়েছে দেশে। ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এবং গত কয়েক ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা quickly বেড়েছে। রাজশাহীতে গতকাল তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা মাঝারি তাপপ্রবাহের risk তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ এখন রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় বয়ে গেছে।
এই তাপমাত্রার কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়েছে। রিকশাচালক, শ্রমিক ও রাস্তায় চলাফেরা করা মানুষ pressure অনুভব করছেন। অনেকে গাছের ছায়া বা ফ্লাইওভারের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন, কারণ সূর্যের impact অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ঢাকায় যদিও তাপপ্রবাহ ঘোষণা করা হয়নি, তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেটসহ কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি quickly কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়ার possibility রয়েছে। শনিবার আবহাওয়া স্থিতিশীল থাকবে, কিন্তু আগামীকাল থেকে আবার গরমের মাত্রা বাড়তে পারে।
জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত সময়কাল ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ একাদশ বছর। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে longest ৩৬ দিনের তাপপ্রবাহ ছিল, যা গত ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রকট প্রতিফলন। আগামী মাসগুলোতে আরও তীব্র তাপপ্রবাহের warning জারি করা হয়েছে।
এত গরমে শ্রমিকদের কী হবে? সরকারের কোনো support সমর্থন প্লান আছে কি?
বৃষ্টি হলে তাপ কমবে ঠিকই, কিন্তু তারপরই আবার গরমের ঝাপটা লাগে — আবহাওয়া এখন খুব unpredictable অপ্রত্যাশিত।
আমার গ্রামের মানুষ এখন সকাল ৫টাতেই কাজ শুরু করে। এই তাপে দুপুরে বাইরে বেরোনো মানে risk ঝুঁকি নেওয়া।
২০২৪-এ ৩৬ দিনের তাপপ্রবাহ? এটা কোনো সাধারণ ঘটনা না, এটা একটা crisis সংকট।
প্রতি বছর তাপের মাত্রা বাড়ছে। এই জলবায়ু change পরিবর্তন আমাদের সবার দায়িত্বের বিষয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দিচ্ছে, কিন্তু সরকার কি কোনো action ব্যবস্থা নিচ্ছে? নাকি শুধু তথ্য দিয়ে ব্যাপারটা ঘোরানো হচ্ছে?