পয়লা বৈশাখে নাচের তালে এনসিপি, কিন্তু শীর্ষ নেতারা চেয়ারেই রইলেন
পয়লা বৈশাখের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা–কর্মীদের new ছন্দে দেখা গেল গানের তালে নাচতে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরের নেভি গলিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেতৃত্বের মধ্যে নাচে যোগ দেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। শিল্পী আশিকের গানের তালে উঠে পড়ে লাগেন তাঁরা, যা দলের ভেতরকার pressure কমানোর ইঙ্গিত দেয়।
অনুষ্ঠানে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের ‘বসন্ত বাতাসে সই গো’ গাওয়া হয়, আর সেই মুহূর্তে শিল্পী আশিক এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের public trust জোগাড় করতে সংস্কৃতিমনা হিসেবে নাচের আহ্বান জানান। সারোয়ার তুষার ও অন্যান্য নেতারা হাত ধরে নাচে টানেন, কিন্তু দৃষ্টি আকর্ষণ করে যাঁরা নাচেনি—যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
নাহিদকে নাচতে উঠতে দেখা যায়নি, বরং তিনি হাত নেড়ে refusal জানান। নুসরাত তাবাসসুম ও এস এম সাইফ মোস্তাফিজ তাঁকে নাচে টানতে গেলে তিনি মোস্তাফিজকে ঠেলেও দেন। একইভাবে পাটওয়ারীও চেয়ার ছেড়ে ওঠেননি, যদিও তাঁদের নাচে নেওয়ার চেষ্টা চালান সারোয়ার তুষার ও আরিফুল ইসলাম আদীব।
অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ছয়টার আগেই শেষ হয় সরকারি নির্দেশ মেনে। এটি একটি decision যা সরকারের প্রতি আনুগত্যের ইঙ্গিত দেয়। পরে নেতারা বৈশাখী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে দলের দৃঢ়তা প্রকাশ করেন, কিন্তু নাচ না করার কারণ নিয়ে কোনো comment করেননি।
এই ঘটনা এনসিপির ভেতরের নানামুখী tension তুলে ধরে। একদিকে সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে মেলামেশা, অন্যদিকে শীর্ষ নেতৃত্বের দূরত্ব—এটি একটি সূক্ষ্ম রাজনৈতিক strategy হতে পারে, অথবা গভীর বিভাজনের প্রতীক। যে কারণেই হোক, পয়লা বৈশাখের মঞ্চ রাজনৈতিক অভিব্যক্তির ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
গানের তালে নাচলেও নাহিদ ও পাটওয়ারীর চেয়ার ছাড়ার অস্বীকৃতি স্পষ্ট করে দিল, ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে tension টানাপোড়েন এখনও কাটেনি।
নাচ না করার চেয়ে ঠেলে দেওয়াটাই বেশি বলে দিল—pressure চাপ আছে, কিন্তু সেটা সহজ ভাবে মেনে নেওয়া হচ্ছে না।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ কিংবা না নাচা কোনো risk ঝুঁকি না—আসল ঝুঁকি হলো ভোট হারা।
সরকারি নির্দেশ মানা হলো সন্ধ্যা ছয়টার আগে অনুষ্ঠান শেষ করে—এটা প্রতিদিনের রাজনীতির চেয়ে বেশি symbolic প্রতীকী।
নাহিদ ঠেলে দেওয়াটা শুধু নাচ না করার ঘটনা না, এটা একটা power ক্ষমতার প্রদর্শন।
সবাই নাচলে সমর্থন দেখায়, কিন্তু যারা নাচল না, তারাও এক ধরনের support সমর্থন দিল—নিজেদের অবস্থান আঁকড়ে ধরে।