হৃদরোগই কেড়ে নিল...! সবচেয়ে কাছের মানুষকে হারালেন পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়, শোকের ছায়া নেমে এল টলিউডে
টলিউডে আবারও শোকের ছায়া নেমে এল। director রাহুল মুখোপাধ্যায় হারালেন তাঁর সবচেয়ে close মানুষ—তাঁর মাকে। মাতৃহারা হওয়ার খবরটি নিজেই জানিয়েছেন তিনি, এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ব্যথার কথা ছড়িয়ে পড়তেই শিল্পী মহল এবং দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে দুঃখ।
জানা গেছে, রাহুলের মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৭ বছর। হঠাৎ এই loss পরিচালককে গভীরভাবে shocked করেছে। অনেকেই মনে করছেন, এত কম বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়াটা আসলে আধুনিক জীবনযাপনের চাপ এবং অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ারই impact ।
রাহুল মুখোপাধ্যায় known হয়েছেন তাঁর চলচ্চিত্র ‘মন মানে না’-এর মাধ্যমে। তাঁর মতো তরুণ পরিচালকদের জন্য মা কেবল একজন পরিবারের সদস্য নন, তিনি প্রেরণার উৎসও বটে। এখন তাঁর এই শোক কাটানো হবে কীভাবে, সেটাই ভাবছেন অনুরাগীরা।
বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচালক থেকে শুরু করে অভিনেতা, সবাই এখন রাহুলকে সান্ত্বনা জানাচ্ছেন। কেউ কেউ প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়েছেন। এই ধরনের tragedy ঘটনা মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে সাফল্য বা যশ কিছুই পরিবারের কাছাকাছি থাকার চেয়ে বড় নয়।
এত কম বয়সে হৃদরোগ? সত্যিই scary ভয় লাগে। আমরা সবাই কতটা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করছি।
রাহুলের মা শুধু একজন মা নন, গোটা পরিবারের মেরুদণ্ড ছিলেন। এই loss হারানো কিভাবে সামলাবেন ভাবতেই পারছি না।
‘মন মানে না’ দেখেছিলাম, খুব connected যুক্ত লাগেছিল। আজ পরিচালকের ব্যথা বুঝতে পারছি।
সবাই কাজে ব্যস্ত, কিন্তু মা-দের মনোযোগ কম পায়। এটা আমাদের সমাজের reality বাস্তবতা।
টলিউডে শোক না, প্রতিদিন কোন না কোন খবর? একটু peace শান্তি পেলে ভালো হত।
মা হারানোর ব্যথা কেউ কেউ বুঝবে, কিন্তু অনেকেই বুঝবে না। এটা খুব personal ব্যক্তিগত।
হৃদরোগ এখন কোনো বয়স মানে না। সত্যিই সময় কাজের আগে ডাক্তার দেখানো উচিত। simple সাধারণ কথা, কিন্তু মানা হয় না।
সব সময় বাইরের সাফল্য নিয়ে কথা বলি, কিন্তু মানুষের ভিতরের pain যন্ত্রণা কেউ দেখে না।