স্লোগানের আঘাতে হাওড়া: রাজনীতির রাস্তা জুড়ে লাঠি, আবেগ আর অঙ্গীকার
tension ঘিরে রণক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতি, যেন আসন্ন নির্বাচনী মুহূর্তের উগ্র প্রতীক। রবিবার জিটি রোডে বিজেপি প্রার্থী উমেশ রাইয়ের roadshow চলাকালীন তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে পাল্টা slogan উঠতেই তীব্র clash বাধে। পরিস্থিতি অনিয়ন্ত্রিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে দু'পক্ষকেই disperse করে দেয়। এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ রবি কিষাণ, তবে সংঘর্ষের সময় তাঁর গাড়ি ঘটনাস্থল পেরিয়ে গিয়েছিল। এই দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়, রাজনীতি এখন রাস্তার কথা—বক্তব্য নয়, বরং physical ভাষায় প্রকাশ।
অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকীর রোডশো শেষে তৃণমূল সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর supporters বচসা বাড়ে। পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর সহ একাধিক জন আহত হন। তৃণমূলের একটি পথসভা থেকে উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এমন ধারাবাহিক violence নির্বাচনের আগেই এলাকাগুলোর বাতাসে fear ছড়াচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে, এবং প্রথম দফার ৯৩ শতাংশের বেশি ভোটের পর দ্বিতীয় দফাকেও peaceful রাখতে চায়। কিন্তু হাওড়া থেকে হাড়োয়া—সর্বত্র মেরুকরণ তীব্রতর, আর তার মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।
এই অশান্তির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদী বনগাঁয় মতুয়া মহাসংঘের ঠাকুরবাড়িতে পুজো দিয়ে promise করেন যে সিএএ-র মাধ্যমে মতুয়া সম্প্রদায় নাগরিকত্ব পাবে। এটি কেবল একটি political বার্তা নয়, বরং একটি আবেগের মন্ত্র—প্রতীকী ভাবে মোদী নিজেকে সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্পিত হিসেবে ঘোষণা করছেন। ঠিক একই দিনে কলকাতায় তাঁর মেগা rally , যা নির্বাচনী ভাষায় গেরুয়া শিবিরের showcase । অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২২৫-এর বেশি আসনের জয়ের দাবি করে ঘোষণা করেন, “৪ তারিখ বেলা ১২টার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে”—warning সুরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
নির্বাচনী প্রচারের চাপে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির প্রচার বাধার অভিযোগ তোলেন এবং পাল্টা কালীঘাট ও আলিপুরের থানার আধিকারিকদের বদলি হয়। এমনকী ডায়মন্ড হারবারে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে কমিশন মাত্র ১২ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে, পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য মঞ্চে উঠায় রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার ছবি আরও গাঢ় হয়। কমিশনের মেম্বার নাকি ক্যাডার—এই প্রশ্ন ভাসমান। নির্বাচন মানে শুধু ভোট, নয়—শাসন ও গণতন্ত্রের পরীক্ষা।
রোডশোয় স্লোগান নয়, chaos বিশৃঙ্খলা ছড়াচ্ছে। রাজনীতি যেন দেখানো থিয়েটার!
৯৩% ভোট, কিন্তু শান্তি কোথায়? voter ভোটার আসে, কিন্তু ভয়ও আসে।
মতুয়াদের প্রতি অঙ্গীকার শুধু ভোটার মন জোগাড় করার tactic কৌশল না?
প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে doubt সন্দেহ সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
অভিষেকের 'ডিজে' বাজবে—কেমন মেটাফর! রাজনীতি আর সংস্কৃতির মিশেল।
আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে আহত পুলিশ—গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো নয়।
মোদীর রোডশো, অভিষেকের হুঁশিয়ারি—দুই পক্ষই কাহিনী বানাচ্ছে।
মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে পুজো—আবেগের সঙ্গে রাজনীতির হেঁচকা।