সংবিধান সংশোধন নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব : চিফ হুইপ
সংবিধান সংশোধন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত consensus পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা এবং দেশের উন্নয়নই হলো সব রাজনৈতিক দলের অভিন্ন goal । এই সাধারণ মূল্যবোধ থেকে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে পাওয়া যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতিতে সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের তিনি ব্রিফ করেন। চিফ হুইপ জানান, পার্লামেন্টে আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়েই সরকার গুণগত decision পৌঁছাতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশপ্রেমের জায়গা থেকে সব রাজনৈতিক দলই একমত হবে। এটি কোনো রাজনৈতিক posture নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার প্রতি সত্যিকারের অঙ্গীকার।
এ সময় তিনি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, শুধুমাত্র নেতিবাচক খবর প্রচার করা সঠিক নয়; গণমাধ্যমের দায়িত্ব হিসেবে তিনি positive দিকগুলো তুলে ধরাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। বিশেষ করে দুই লাখ টন তেলবাহী জাহাজ ঘাটে নোঙর করার মতো উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো যথাযথভাবে প্রচার না করা হলে গণমাধ্যমের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
চিফ হুইপ আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মানবিক রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। এগুলো কোনো তাৎক্ষণিক কর্মসূচি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি vision । এর মধ্যে দিয়ে তিনি সরকারের প্রতি জনগণের trust বাড়ানোর চেষ্টা করেন।
ঐকমত্যের আশা ভালো, কিন্তু সংবিধান সংশোধন যখন ক্ষমতা বণ্টনের বিষয়, তখন আসল pressure চাপ কি তাতে কমবে?
গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা না করে ইতিবাচক খবর তুলে ধরতে বলা ঠিক আছে, কিন্তু তা কি বাস্তবে সম্ভব? bias পক্ষপাত তো থাকবেই।
দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থাকা জরুরি, কিন্তু জনগণের কাছে ফলাফল দ্রুত চাওয়া হয়। সরকারের support সমর্থন ধরে রাখা কঠিন হচ্ছে।
সব দলের একমত হওয়া সম্ভব শুনতে ভালো লাগে, কিন্তু প্রতিটি দলের কি একটা আলাদা agenda এজেন্ডা নেই?
সংসদে debate বিতর্ক হচ্ছে ভালো, কিন্তু সিদ্ধান্ত কি সত্যিই গণতান্ত্রিকভাবে হচ্ছে?
দেশপ্রেমের কথা বলা হয়, কিন্তু রাজনীতি কি শুধু আবেগে চলে? কীভাবে দেশপ্রেম আসল নীতির পরিবর্তে হাতিয়ার হয়?