পারস্য উপসাগরে কে আসল ‘বস’?
পারস্য উপসাগরে এখন কে রাজা? একসময় সেই প্রশ্নের উত্তর ছিল america । কিন্তু বিশ্লেষক সের্গেই পোলেতায়েভের কথায়, সেই যুগ শেষ। এখন আর উপসাগরের ‘boss ’ বা কর্তা নয় ওয়াশিংটন, বরং তেহরান। ইরান এখন এমন এক control প্রতিষ্ঠা করেছে যে, আরব দেশগুলোর তেল রফতানি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য—সবই তাদের মর্জির ওপর। পোলেতায়েভ বলছেন, আমরা এখন এমন এক moment দাঁড়িয়ে আছি যেখানে পুরনো ক্ষমতার চিহ্নগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে, এবং এক নতুন অধিপতি নিজের ছায়া ফেলছে পুরো অঞ্চলে। আমেরিকা যেন হারিয়ে ফেলা এক আলফা নেকড়ে, যার গর্জন আর ভয় ধরায় না।
গত ৭ এপ্রিলের পর থেকে পরিস্থিতির একটি তীব্র change ঘটেছে। যদিও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এক ceasefire ঘোষিত হয়েছে, কিন্তু সেটি কি শান্তির সূচনা, নাকি বড় conflict আগের নিস্তব্ধতা? এক ইরানি সূত্র তাসনিম নিউজকে বলেছেন, ইরান সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। আমেরিকা যদি কূটনৈতিক আলোচনায় কালক্ষেপণ করে, তবে তারা ইসরাইলকে লেলিয়ে দিতে পারে। এই ছলচাতুরি ইরানের চোখে রয়েছে—আর তারা এখন কোনো ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত নয়। তাদের বার্তা স্পষ্ট: warning না মানলে গোটা অঞ্চল আবার আগুনে পুড়বে।
ইরানের বাড়ছে যুদ্ধক্ষমতা, আর ইসরাইলের কমছে প্রতিরক্ষার শক্তি। পোলেতায়েভের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের হামলার success মার্চের শেষে দাঁড়িয়েছে ২৭ শতাংশে—যা যুদ্ধের শুরুতে ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। ইসরাইলের ‘আয়রন ডোম’ ব্যবস্থা এখন ক্লান্ত। প্রতি response দিতে গিয়ে কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে, আর ইরানের ড্রোন ও মিসাইল তুলনামূলক cheap । এই কৌশলগত অসমতা ইরানকে দিচ্ছে বাজিটা ধরে রাখার advantage । তারা জানে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বিশ্ব অর্থনীতির হৃদপিণ্ড থেমে যাবে।
আরব দেশগুলো এখন নতুন কৌশল খুঁজছে। আগে তারা আমেরিকাকে pay দিতেন নিরাপত্তার জন্য। এখন তারা রাশিয়ার পান্তশির মিসাইল ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে—এক কার্যকর defense যা ড্রোন ঠেকাতে পারে। লোহিত সাগর দিয়ে নতুন পাইপলাইনও আলোচনায়, কিন্তু ভৌগোলিক reality তা কঠিন করে তুলছে। ইরানের দীর্ঘ উপকূল থেকে যেকোনো জাহাজ আটকানো সম্ভব। তাই শেষ পর্যন্ত আরব রাষ্ট্রগুলোকে হয়তো ইরানের সাথে একটি deal করতেই হবে। পোলেতায়েভ বলেছেন, প্রতি সুপারট্যাংকার থেকে ২ মিলিয়ন ডলার নেওয়া হতে পারে—তেলের দামের মাত্র ২-৩ শতাংশ। এটি হবে এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, যেখানে power দেখানো হয় আগুনের চেয়ে মার্কেটে।
পোলেতায়েভ তিনটি সম্ভাব্য ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরেছেন: স্থায়ী শান্তি, পুনরায় তীব্র যুদ্ধ, বা নিম্নমাত্রার স্নায়ুযুদ্ধ। তৃতীয়টিই মনে হয় সবচেয়ে সম্ভাব্য। হরমুজ প্রণালী মাঝে মাঝে বন্ধ হবে, ইসরাইল আক্রান্ত হবে, আর বাকি বিশ্ব চুপ করে থাকবে—যতক্ষণ না তেলের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়। এই stability স্বাভাবিকতা ইরানকে দেবে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব। ইরানি সূত্রটি সতর্ক করেছেন: হয় গ্রহণযোগ্য চুক্তি, নয় আগুনের return । মধ্যপ্রাচ্য এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত পালটে দিতে পারে ইতিহাস।
আমেরিকা যদি আর না থাকে, তাহলে আমরা কি একটা নতুন balance ভারসাম্য পাবো নাকি আরও বেশি অস্থিরতা?
ইরান এখন যে শক্তি দেখাচ্ছে, সেটা কি আসলে আত্মবিশ্বাস, নাকি আরেকটা bluff ধামকি?
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে তেলের দাম উড়বে। আমাদের সবার জন্যই এটা একটা risk ঝুঁকি।
আরব দেশগুলো যদি ইরানের কাছে টাকা দেয়, তাহলে কি এটা হবে নতুন ধরনের protection সুরক্ষা চাঁদা?
পান্তশির মিসাইল সত্যিই কি আধুনিক ড্রোন ঠেকাতে পারবে? নাকি এটা শুধু একটা hope আশা?
প্রাচীন পারস্যের মতোই আজও তারা কূটনীতির খেলা খেলছে—শক্তি দেখানোর চেয়ে strategy কৌশল বেশি।
যুদ্ধবিরতি যদি চলতে থাকে, তাহলে কি ইরানের জন্য সেটা একটা victory বিজয় হিসেবে থাকবে?
২ মিলিয়ন ডলার প্রতি জাহাজে? এটা কি সত্যি হবে, নাকি শুধু একটা claim দাবি?