মধ্যপ্রাচ্যে ‘সিসিফাসের ফাঁদে’ যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান যুদ্ধে কেন নেপথ্যে খেলোয়াড় চীন
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাব ক্রমশ একটি সিসিফাসের ফাঁদে পরিণত হচ্ছে বলে বেইজিংয়ের মূল্যায়ন। তবু ইরান যুদ্ধে চীন এখনও নেপথ্যে থাকছে। দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান হলেও চীনা প্রতিক্রিয়া ছিল মাপা। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে কেবল শোকবার্তা দেওয়া হয়েছে, আর তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি নির্বাচনের পর চীনা বৈদেশিক মন্ত্রণালয় শুধু জানিয়েছে যে তারা reports লক্ষ্য করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন একইসাথে pressure এড়াতে চায় ও নিজেকে দায়িত্বশীল শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী। তাই সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরত্ব বজায় রেখেও শান্তি আনার ভূমিকা দাবি করছে। মার্কিন নৌ অবরোধকে চীন ‘dangerous ’ ও ‘দায়িত্বহীন’ বলেছে। মুখপাত্র গুও জিয়াকুন স্পষ্ট করেছেন, এটি শুধু tensions বাড়াবে এবং যুদ্ধবিরতির fragile প্রক্রিয়াকে ক্ষতি করবে।
অর্থনৈতিক কারণে চীনের নীরবতা strategic । হরমুজ প্রণালি বিশ্বের তেলের প্রধান পথ। চীন এখান থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করে। তাই নিরাপত্তা ও সরবরাহ শৃঙ্খল stability তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ বৈশ্বিক দাম ও inflation বাড়াচ্ছে, যা চীনা অর্থনীতির জন্য risk । কূটনীতির মূল নীতি ‘অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা’ মানা হচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তানের মাধ্যমে backchannel আলোচনায় প্রভাব রাখা হচ্ছে।
আগামী মাসে ট্রাম্প-সি চিনপিং বৈঠক নিয়েও চীনের ভাবনা। ইরান সমর্থনের মতো কোনো move যাতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক tension সৃষ্টি না করে, তা খেয়াল রাখা হচ্ছে। চীনা গণমাধ্যম মার্কিন হস্তক্ষেপকে ‘সিসিফাসের ফাঁদ’ বলছে—যেন পাথর পাহাড়ে ঢেলে তা কখনো স্থির হয় না। এই যুদ্ধ যদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ছড়ায়, তাহলে bilateral আলোচনার সম্ভাবনা কমে যাবে।
যদিও চীন প্রকাশ্যে হস্তক্ষেপ এড়াচ্ছে, খবর আছে যে ইরানকে military support দেওয়া হচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান চীনা স্যাটেলাইট ও কাঁধে বহনযোগ্য বিমানবিধ্বংসী missiles নিতে প্রস্তুত। বেইজিং এগুলো অস্বীকার করেছে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, চীন একধরনের safe channel ব্যবহার করছে, যাতে প্রভাব থাকে, কিন্তু দায় না থাকে।
বেইজিং এখন উভয় দিকে balancing রাখার চেষ্টা করছে। হরমুজের security নিশ্চিত করতে চায়, আবার ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা এড়াতে চায়। সৌদি ও আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় রাষ্ট্রদের সঙ্গে চীনের long-term সম্পর্ক রয়েছে। এই স্থিতিশীল জোট চীনের জন্য বেশি লাভজনক। তাই চীন মধ্যস্থতা চায়, কিন্তু প্রত্যক্ষ involvement হতে চায় না।
চীন সত্যিই risk ঝুঁকি নেবে না। তাদের অর্থনীতি এখন নাজুক।
ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হবে নাকি না, সেটাই এখন tension চাপ। চীন জানে, ইরান নিয়ে ভুল করলে বৈঠক বাতিল হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি ছাড়া চীনের তেল আমদানি কঠিন। এটা শুধু diplomacy কূটনীতি নয়, survival অস্তিত্বের ব্যাপার।
‘সিসিফাসের ফাঁদ’ ধারণাটা ঠিক। মার্কিন হস্তক্ষেপ কখনোই শান্তি আনে না, শুধু conflict দ্বন্দ্ব বাড়ায়।
চীন কি আসলে গোপনে ইরানকে সাহায্য করছে? ক্ষেপণাস্ত্র ও স্যাটেলাইট নিয়ে খবর কি সত্যি?
চীন শুধু নিরাপদ পথ বেছে নিচ্ছে। প্রত্যক্ষ involvement জড়িত হবে না, কিন্তু প্রভাব রাখবে।