আলোচনার টেবিলকে ‘আত্মসমর্পণের মঞ্চ’ বানানোর চেষ্টায় ট্রাম্প: গালিবাফ
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর the policyটি নিয়ে তীব্র criticism তুলেছেন, অভিযোগ করেছেন যে তিনি negotiation একটি ‘surrender stage ’ পরিণত করতে চাইছেন। গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি জানান, ট্রাম্প হয় ইরানকে আত্মসমর্পণ করাতে চাইছেন, নয়তো আবারও conflict শুরু করার যুক্তি তৈরি করতে চাইছেন।
গালিবাফ স্পষ্ট করেছেন, ইরান under threat কোনো talks মেনে নেবে না। তিনি বলেছেন, গত দুই সপ্তাহে যুদ্ধক্ষেত্রে new moves নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে, যা আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তেহরানের response হিসেবে গৃহীত হতে পারে। এমন মন্তব্য ক্ষেত্রে অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।
এদিকে, সিএনএন-এর সূত্র জানায়, মার্কিন প্রতিনিধিদল আগামীকাল আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এটি ইরান-পাকিস্তান সীমান্ত জুড়ে চলমান tension নিয়ে সম্ভাব্য কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে resuming talks করার কোনো পরিকল্পনা নেই।
এই ঘটনা উত্তরাধিকারসূত্রে চলমান মার্কিন-ইরানি সম্পর্কের distrust এবং মধ্যপ্রাচ্যে regional power নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। ট্রাম্পের প্রশাসনের পূর্ববর্তী চাপ চালানোর নীতি এবং ইরানের স্বাধীন কূটনীতির দাবি এখনও মূল বৈরী dynamics হিসেবে রয়ে গেছে।
গোটা বিষয়টি শুধু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের উপরও প্রভাব ফেলছে। কূটনীতির টানাপোড়েনের মধ্যে যুদ্ধের হুমকি থাকলে, international community এর প্রতি লক্ষ্য রাখছে।
ট্রাম্প সবসময় pressure চাপ দিয়েই কথা বলেন, আলোচনার টেবিল কখনো সমান ভিত্তিতে হয় না।
‘আত্মসমর্পণের মঞ্চ’— কথাটা খুব powerful শক্তিশালী। গালিবাফ সঠিক শব্দ বেছে নিয়েছেন।
মার্কিন পক্ষ আবার পাকিস্তানে যাচ্ছে? ইরান তো স্পষ্ট করেছে no interest আগ্রহ নেই।
হুমকি দেখিয়ে আলোচনা করা মানেই তো manipulation নিয়ন্ত্রণ করা।
আমরা কি আবার একটা নতুন conflict দ্বন্দ্ব এর দিকে যাচ্ছি? অনেক ভয় লাগছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে, এটা আর নতুন কিছু না।
ইরান যদি সত্যিই নতুন পদক্ষেপ নেয়, তাহলে regional stability আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ভেঙে পড়বে।
কূটনীতি না হয়ে যদি সব সময় military option সামরিক পদক্ষেপ ভাবা হয়, তাহলে শান্তি কবে আসবে?