লেবাননে যুদ্ধবিরতি, চুক্তির আশা বাড়ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে peace ফিরে আসার আশা আরও জোরালো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন যে, লেবাননে ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের ceasefire কার্যকর হবে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর তিনটা থেকে এটি শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মানবিক crisis কমানো এবং আলোচনার পথ খোলা হয়েছে।
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনার চেষ্টা চলছিল, যেখানে লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছিল একটি মূল condition । কিন্তু ইসরায়েল শুরুতে এর বিরোধিতা করে এবং দক্ষিণ লেবাননে attacks চালিয়ে যায়, যা চুক্তির আশা নিয়ে uncertainty তৈরি করে। তবে মার্কিন কূটনৈতিক pressure এবং মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় অবশেষে এগিয়ে যায় প্রক্রিয়াটি।
গত দুই মাসে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২ হাজার ১৯৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৮৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই toll শুধু মানবিক দুর্যোগ নয়, এটি আন্তর্জাতিক response তৈরি করেছে। হিজবুল্লাহসহ স্থানীয় গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধবিরতি মানার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে troops প্রত্যাহার করবে না বলে জানায়।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তানের মাধ্যমে আবার আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তেহরান সফর করেন এবং ইরানের সংসদের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন। এটি মনে করা হচ্ছে একটি diplomatic অগ্রগতি। তবে ইরানের পারমাণবিক program নিয়ে মতবিরোধ এখনও রয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্পষ্ট করেছেন, চুক্তি না হলে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধের জন্য ready । পাল্টা ইরানের সামরিক উপদেষ্টা মোহসিন রেজাই বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হবে যদি তারা ‘পুলিশের’ ভূমিকা নেয়। এই tension এখনও কমেনি, কিন্তু যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কিছুটা hope ফিরেছে।
এত মানুষ মারা গেছে, তবুও peace শান্তি এল কীভাবে? এটা কি স্থায়ী হবে?
ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করছে না? তাহলে যুদ্ধবিরতির meaning মর্ম কী?
মার্কিন pressure চাপ ছাড়া এটা কখনও হতো না।
হরমুজ প্রণালী নিয়ে হুমকি scary ভয়ঙ্কর। বাজারে তেলের দাম বাড়বে আবার।
১০ দিন মাত্র? এটা কি আসলেই real বাস্তব শান্তি নাকি সময় কাটানো?
পাকিস্তানের ভূমিকা এখানে অবহেলা করা যায় না। তারা নিশ্চয়ই trust আস্থা পেয়েছে দুই পক্ষের।