বিশ্বকাপ জিতলেও ভারতের টি২০ দল থেকে ছাঁটাই হতে পারে সূর্যকে! অধিনায়ক হতে পারেন যে পাঁচ তারকা
বিশ্বকাপ জিতলেও pressure তৈরি হয়েছে সূর্যকুমার যাদবের উপর। ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক হিসেবে খারাপ form এবং ব্যাটে রানের অভাব তাঁকে risk -এর মধ্যে ফেলেছে। যদিও তিনি দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে সাহায্য করেছেন, কিন্তু বোর্ড এবং নির্বাচকরা এখন future নিয়ে ভাবছেন। বয়স এবং অনিয়মিত পারফরম্যান্স তাঁর জন্য বড় challenge হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগামী ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফর হতে পারে তাঁর জন্য একটি turning point । জুন-জুলাইয়ের এই সিরিজে তাঁর ব্যাটিং performance অধিনায়কত্বের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে। হেড কোচ গৌতম গম্ভীর তাঁকে সমর্থন জানালেও, BCCI-এর কাছে decision নেওয়া কঠিন হচ্ছে। ২০২৮ সালের টি২০ বিশ্বকাপ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের আগে দলের plan স্পষ্ট করতে হবে।
অধিনায়কের আসনের প্রবল দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছেন শুভমান গিল। তিনি ইতিমধ্যে টেস্ট ও ওয়ানডে দলের নেতা, আর টি২০-তে নেতৃত্ব নেওয়া হতে পারে তাঁর পরবর্তী step । আইপিএল ২০২৬-এ তাঁর ফর্ম এই সম্ভাবনা আরও বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, হার্দিক পাণ্ডিয়া যদিও বিশ্বকাপের সময় ভাইস-ক্যাপ্টেন ছিলেন, কিন্তু পরে সরে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর leadership ক্ষমতা প্রশংসিত, বিশেষ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।
সঞ্জু সামসন বিশ্বকাপে ছিলেন সেরা খেলোয়াড় এবং নক আউট পর্বে ভারতের প্রধান ভরসা ছিলেন। তাঁর impact ছিল স্পষ্ট, আর তাই অধিনায়ক হওয়ার আসনে তিনিও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী। অক্ষর পটেল, দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক এবং বিশ্বকাপ জয়ী দলের সহ-অধিনায়ক, তাঁর স্থানও শক্ত। টুর্নামেন্টের মাঝে দল ছাড়লেও তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
শ্রেয়স আইয়ার শেষবার ভারতের হয়ে টি২০ খেলেছিলেন ২০২৩ সালে, কিন্তু পঞ্জাব কিংসের নেতৃত্বে তাঁর মূল্য বেড়েছে। তিনি একমাত্র ক্রিকেটার যিনি তিনটি ভিন্ন আইপিএল দলকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন। দলে ফিরে অধিনায়ক হওয়া হতে পারে তাঁর জন্য একটি বড় comeback । সবমিলিয়ে, ভারতের টি২০ অধিনায়কের position এখন শক্ত নয়, আর দলের ভবিষ্যৎ depends করছে পারফরম্যান্সের ওপর।
একটা বিশ্বকাপ জিতেছেন, আর এখনই ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা? এটা খুব harsh কঠোর মনে হচ্ছে।
সূর্যকুমারের ব্যাটিং যদি না ফিরে, তবে দলের balance ভারসাম্য নষ্ট হবে। নেতৃত্ব নয়, পারফরম্যান্স এখন মূল বিষয়।
শ্রেয়স ফিরলে দলের morale মনোবল বাড়বে। তাঁর অভাব অনুভূত হচ্ছিল।
গিলই আসল ভবিষ্যত। তিনি সব ফরম্যাটে স্থিতিশীল। consistency ধারাবাহিকতা তাঁর সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
সঞ্জু যদি নেতা হন, তবে excitement উত্তেজনা বাড়বে। তিনি দর্শকদের প্রিয়।
BCCI-এর কাজ হওয়া উচিত বৈজ্ঞানিক analysis বিশ্লেষণ, না হয় আবেগে নেতা বাছবেন?