হাতকড়া পরা অবস্থায় পালালেন আসামি, পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাল পুলিশ
কক্সবাজারের উখিয়ায় এক আসামির risk নিয়ন্ত্রণের নামে পুলিশের অভিযান ঘিরে উত্তাল স্থানীয় মহল। হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া মিজান নামের আসামির পরিবারের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে তার ৭৫ বছরের বাবা জাফর আলম, দুই গৃহবধূ রোজিনা ও ফারজানা, এবং মাত্র ৮ বছরের ভাতিজিকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এই decision নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন, আইনের নামে কি এভাবে নিরীহ পরিবারকে শাস্তি দেওয়া যায়?
অভিযানটি ঘটেছে শনিবার রাতে। আটককৃত মিজান ছিলেন রাজনৈতিক নেতা সালাহউদ্দিন মেম্বারের ভাই। পুলিশ জানিয়েছে, মিজান পালিয়ে যাওয়ার পর পরই তার পরিবারের বিরুদ্ধে pressure সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ অ্যাসল্ট ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১৫ জনকে এজাহার করা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে শিশুসহ চারজনকে আটক করা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়েছে ক্ষোভ। বিশেষ করে শিশুটিকে মা-এর সঙ্গে জেলে পাঠানোকে অমানবিক বলে বর্ণনা করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা।
ব্যারিস্টার সাফফাত ফারদিন রামিম বলেছেন, "public trust রাখতে হলে আইনকে ন্যায়ের ভিত্তিতে প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু ৯ বছরের নিচের শিশুকে অপরাধী ধরা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।" উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ারও বলেন, এটি শুধু আইনের পরিপন্থী নয়, human values প্রতি অপমান। বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিকে আটক করা এবং গৃহবধূদের পুলিশ অ্যাসল্টের মতো গুরুতর মামলায় জড়ানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
উখিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রাসেল চৌধুরী প্রশ্ন তোলেন: "আটক ব্যক্তি পালালে তার বাবা, ভাইয়ের স্ত্রী ও শিশুকে support হিসেবে দায়ী করা কি যুক্তিযুক্ত?" তিনি বলেন, এটি চরম বিতর্কিত এবং আইনের নামে ক্ষমতার অপব্যবহার। কারাগারের ডেপুটি জেলার নোবেল দেব জানিয়েছেন, শিশুটিকে রাখার বিষয়টি নিয়মানুযায়ী নয়, এবং সোমবার ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করা হবে।
এই ঘটনা শুধু একটি স্থানীয় ঘটনা নয়, এটি বাংলাদেশের আইন প্রয়োগের system গভীর দুর্বলতা তুলে ধরেছে। পুলিশের ক্ষমতার ব্যবহার কি কখনো নিরীহ নাগরিকদের উপর burden হয়ে দাঁড়ায়? মানবাধিকার ও আইনের শাসনের মধ্যে কি সমন্বয় সম্ভব? প্রশ্নগুলো ঘিরে এখন চলছে প্রকাশ্য আলোচনা। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই এখন সবার চোখের সামনে।
একটা বুড়ো মানুষ, আর একটা বাচ্চা—এদের risk ঝুঁকি কোথায়? পুলিশ কি মনে করে সবাই সমান অপরাধী?
শুধু পুলিশ নয়, আদালতও তো এটা অনুমোদন করল। এটা কি ন্যায়বিচার নাকি সামষ্টিক ব্যর্থতা?
যদি মিজান পালায়, তার মা-বাবাকে কেন শাস্তি? এটা তো মধ্যযুগীয় সামগ্রিক শাস্তি।
মা-মেয়েকে জেলে পাঠানো দেখে চোখের পানি এসে গেল। আইন কি এতটা নির্মম হতে পারে? human values মানুষের মূল্যবোধ কই?
পুলিশের pressure চাপ কমানোর নামে আসল অপরাধীকে খোঁজা হচ্ছে না। নিরীহদের উপর আক্রমণ কেন?
শিশু আটক হওয়াটা নিয়ম ভাঙা, এটা স্পষ্ট। কিন্তু কে জবাব দেবে? accountability জবাবদিহিতা কোথায়?