কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করার লক্ষ্যে কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন বলেন, তিনি পেশায় সত্যিকারের একজন small farmer । ১৯৯২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় failed হয়ে তিনি বিদেশে চলে যান। প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি farming শুরু করেন। নিজের জমির পাশাপাশি অন্যদের জমিতে সেচ দেয়ার জন্য তিনি একটি সেচ মেশিন কিনেছেন। একইসঙ্গে তিনি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করেন এবং কৃষিকাজের ছবি-ভিডিও বানিয়ে শেয়ার করেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে উঠে আসে অসংখ্য ভুয়া অভিযোগ।
সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কয়েকটি এআই জেনারেটেড ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেগুলো থেকে দাবি করা হয় তিনি ধনী মানুষ এবং আসলে কৃষক নন। এমন পরিস্থিতিতে কয়েকজন content creator সরেজমিনে যান তথ্য যাচাই করতে। ভিডিওতে স্পষ্ট হয়, কবির হোসেন সত্যিই একজন marginal farmer । তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ ঘটনায় কৃষি মন্ত্রণালয় তিনটি investigation committee গঠন করে এবং একটি মামলা দায়ের করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই কার্ডের উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের self-reliant ও prosperous করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীকে ব্যক্তিগতভাবে কার্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকা সরাসরি টাকা পাঠানো হয়। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ, যন্ত্রপাতির সুবিধা এবং সরকারি ভর্তুকি directly পাওয়া যাবে।
কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা বলেন, তারা কয়েক যুগ ধরে কৃষি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু কোনো benefit পেতেন না। এবার প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড পেয়ে তিনি খুব happy । অপর কৃষক মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, আগে জিয়াউর রহমান খাল কেটে মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন, আজ তারেক রহমান কৃষক কার্ড দিয়ে তাদের মন জয় করেছেন। এটি একটি historic পদক্ষেপ।
প্রথম পর্যায়ে ১১টি উপজেলায় ৩০ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। নির্বাচনি ইশতেহারে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কার্ড পৌঁছানো হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক সচ্ছল হলে সমগ্র জাতি সচ্ছল হবে। দেশের প্রায় চার কোটি পরিবার কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই কৃষককে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করাই হলো national priority ।
আসল কৃষকদের সঙ্গে এভাবে খেলা করা উচিত না। real farmer আসল চাষী তো ঘাম ছুটিয়ে খায়, ছবি ফেক করে না।
সরকার যদি সত্যিই কৃষকের পাশে দাঁড়ায়, তবে ভালো। কিন্তু social media সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়ানো বন্ধ করা জরুরি।
এত টাকা সরাসরি হিসাবে, কিন্তু আমাদের এলাকার কৃষক এখনো কিছু পায়নি। transparency স্বচ্ছতা থাকলে আস্থা বাড়বে।
কবির হোসেনের গল্পটা শুনে মন খারাপ হয়েছে। কেউ কেউ তাঁর মতো সৎ মানুষকে নিয়ে রাজনৈতিক খেলা খেলে।
একটা benefit card সুবিধা কার্ড দিয়ে সব সমস্যার সমাধান হবে না। বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা, ঋণের চাপ—এগুলো দেখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী যদি কৃষকের সঙ্গে সত্যিই connected যুক্ত থাকেন, তবে ভালো। কিন্তু আমরা চাই এই support সমর্থন শুধু নির্বাচনের আগে না থেমে যায়।