বিএনপি কি শুধু ক্ষমতা চায়? আখতার হোসেনের তীব্র প্রশ্ন
politics আর কি কেবলই ক্ষমতা নিয়ে? জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের মতে, বিএনপির আজকের reform নয়, বরং ক্ষমতাকেন্দ্রিক পথে হাঁটছে। শনিবার বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন তীব্র criticism করেন, যা রাজনৈতিক মহলে কান খোলার মতো। তাঁর ভাষায়, গণভোটের প্রত্যাশা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, আর সংবিধান সংস্কারের প্রতি সরকারের আচরণ indifferent ।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে তিনি সরকারের মধ্যে reluctance লক্ষ্য করেন। তাঁর মতে, এমন পরিষদকে সরকার কখনো অসাংবিধানিক, কখনো বা confusing বলে উপস্থাপন করছে—যা জনগণের আস্থা নষ্ট করছে। একটি স্বাধীন উচ্চপর্যায়ের সংস্থা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে তিনি opine দেন। এখানেই তিনি বিএনপির ভূমিকাতেও প্রশ্ন তোলেন, বিশেষ করে তাদের আদি সমর্থন থেকে পরবর্তী অবস্থান পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে।
অর্থনৈতিক বিষয়েও তাঁর উদ্বেগ কম নয়। হঠাৎ ঘটিত fuel সংকট, পেট্রোল পাম্পে long লাইন আর মূল্যবৃদ্ধি—সব মিলিয়ে এটা যেন কোনো planned নাটক বলে তিনি সন্দেহ করেন। এমন ঘটনা শুধু জনসাধারণের উপর চাপ বাড়ায় না, বাজারের স্থিতিশীলতাও নষ্ট করে। ব্যাংক খাতে অনিয়ম এবং ঋণখেলাপিদের পুনরায় ownership ফেরত দেওয়াকে তিনি ভবিষ্যতের জন্য বিপদসংকেত হিসেবে দেখেন।
আখতার হোসেন শেষে একটি স্পষ্ট call জানান: দেশের সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি experts এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে একটি প্রকৃত dialogue গড়ে তোলা জরুরি। এরই ধারায়, এনসিপি একটি national কনভেনশনের আয়োজন করবে, যেখানে এসব জটিল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে তিনি জানান। সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সারোয়ার তুষারসহ অন্যরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি যদি সত্যিই reform সংস্কার চাইত, তবে প্রথম থেকেই সংবিধান পরিষদের পক্ষে থাকত।
জ্বালানি crisis সংকট সত্যি কি হঠাৎ নাকি কারো হাতের খেলা?
সরকার যে সংস্কারে আস্থা রাখে না, তা তো আর গোপন কথা নয়। কিন্তু বিরোধী দলগুলোও কি শুধু ক্ষমতা ছাড়া আর কিছু দেখে না?
একটা national জাতীয় সংলাপের প্রয়োজন আছে, কিন্তু কে দায়িত্ব নেবে?
সবাই বলে, কিন্তু কেউ কি কিছু করবে?
এনসিপির এই ধরনের সুর অন্তত আশার আলো দেখায়।
সরকার যদি সত্যিই উদাসীন হয়, তবে গণভোটের রায়ের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি কোথায়?
ঋণখেলাপিরা যদি পুনরায় মালিক হয়, তবে ভবিষ্যতে দুর্নীতি বাড়বেই।