ভয় বনাম আস্থা, বিজেপির এবারকার আখ্যান নিয়েই তো প্রশ্ন
আশিস ঘোষের লেখায় স্পষ্ট হয়েছে, এবারের নির্বাচনে the narrative হল ভয়। ভয় থেকে ভরসা—এই রূপকেই বিজেপি শাসক দল হিসেবে বাড়িয়ে তুলছে। বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে জনসভা, সব জায়গাতেই the message হল ভয়কে দূর করা। এই ভয় কেবল security নয়, নারীরা রাতে বাইরে বেরোতে পারবে, চাকরি পেতে bribery দিতে হবে না, সিন্ডিকেটের ভয় থাকবে না—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু এই ভয় কি কেবল প্রতিশ্রুতির অংশ? নাকি এটি আসলে the tactic হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? গত কয়েক মাস ধরে বিজেপি নেতারা illegals বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলেছেন। এই বার্তা সাধারণ voters মধ্যে fear ছড়িয়েছে। কেউ কেউ তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রমাণ খুঁজতে বাড়ি থেকে বাড়ি ঘুরেছেন, লাইনে দাঁড়িয়েছেন, এমনকি mental pressure অসুস্থও হয়েছেন।
এই ভয়কে কি আসলে রাজনৈতিক leverage ব্যবহার করা হচ্ছে? কিছু বিরোধী নেতা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে breakfast , lunch , dinner -এর সঙ্গে তুলনা করেছেন—যা অনেককে আরও বেশি insensitive মনে হয়েছে। এই উপমাগুলো না শুধু মানুষকে confused করেছে, বরং তাদের ভয়কে আরও intensified করেছে।
নিবিড় সংশোধনের নামে কোথাও পুরো পাড়ার নাম বাদ পড়েছে, কোথাও বাড়ির চার সদস্যের মধ্যে একজনের নাম আছে, বাকিদের নেই। এই ধরনের inconsistencies মানুষকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে—এই ভয় কি বাস্তব, নাকি সৃষ্টি করা? যদি ভয়ই হয় মূল আখ্যান, তবে কি সত্যিই মানুষ the government এবং the opposition দু’পক্ষের উপর আস্থা হারাচ্ছে?
এই ভয় আর আস্থার খেলা শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য নয়, এটি গণতন্ত্রের ভিতকে প্রভাবিত করছে। মানুষ যখন নিজের identity নিয়ে প্রশ্ন করে, তখন সেই সমাজের the stability নষ্ট হয়। ভয় থেকে ভরসার আশ্বাস যদি সত্যিকারের হয়, তবে তা সমাধান হতে পারে। কিন্তু যদি সেটা শুধু the election জন্য হয়, তবে সেই ভরসা কতদিন টিকবে?
ভয় দেখানো আর ভরসা দেওয়া—দুটোই রাজনীতির পুরনো কৌশল। কিন্তু এবার সেটা এতটা স্পষ্ট যে মানুষ বুঝতে শুরু করেছে।
আমার পাড়ার তিন পরিবারের নাম নেই লিস্টে। একজন আছে, বাকিরা নেই। এই injustice অন্যায় কার উপর চাপানো হচ্ছে?
ভোটারদের মনে মানসিক প্রভাব ফেলা হচ্ছে। এটা কোনো নির্বাচনী ক্যাম্পেইন নয়, এটা the warfare যুদ্ধ।
ভয় থেকে ভরসা—কথাটা ভালো শোনায়, কিন্তু the reality বাস্তবতা কি তাই? আগের পনেরো বছরের চেয়ে এখন ভয় কমেছে?
বিরোধীদের the mockery ঠাট্টা ভালো নয়। মানুষের ভয়কে হালকা করলে তা আরও the anxiety উদ্বেগ বাড়ায়।
এই আখ্যানের পেছনে the strategy কৌশল আছে। কিন্তু কে জানে, ভয় মানুষকে ভোট দিতে বাধ্য করলেও তা দীর্ঘমেয়াদে the trust আস্থা ফিরিয়ে আনবে?
নাগরিকত্ব নিয়ে এই the confusion গোলমাল শুধু ভারতে নয়, পুরো অঞ্চলে প্রভাব ফেলছে।
ভয় থেকে ভরসা হওয়া উচিত, কিন্তু ভরসা থেকে আবার ভয় হওয়া কতটা the irony বিড়ম্বনা?