কারিকুলাম পরিবর্তন চাই, নাকি শিক্ষার ভবিষ্যৎ বাঁচানো যাবে না?

education কোনো জাতির ভবিষ্যৎ গঠনের মূল ভিত্তি, কিন্তু বাংলাদেশের academic এখন অন্ধকার মেঘে ঢাকা। অপরাজনীতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের ক্রমাগত অবনতি, addiction এবং অপ্রাসঙ্গিক curriculum —এসব হাত ধরে গুণগত development হারিয়ে ফেলছে আমাদের প্রজন্ম। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG-4) গুণগত শিক্ষার ওপর জোর দিলেও, বাস্তবে সেই লক্ষ্য দূরে ঠেলে দিচ্ছে কাঠামোগত দুর্বলতা। শিক্ষার মাধ্যমে যে মানবসম্পদ গড়ে উঠবে, তা এখন হুমকির মুখে।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে politics আজ আর কেবল ছাত্র সংগঠনের স্লোগানে সীমাবদ্ধ নেই—এটি ভর্তি থেকে শুরু করে আবাসিক accommodation সীট বরাদ্দ, এমনকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পর্যন্ত প্রভাব ফেলছে। ২০১৮ সালের একটি research দেখা গেছে, রাজনৈতিক conflict কারণে ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর academic কর্মকান্ড ব্যাহত হয়। শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে যোগ্যতার চেয়ে দলীয় সম্পর্ক জোরালো হওয়ায় গবেষণার পরিবেশ ক্রমশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক একসময় ছিল মর্যাদার প্রতীক, আজ তা ক্ষয়প্রাপ্ত। শিক্ষকরা প্রাতিষ্ঠানিক কাজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক tuition নির্ভর হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা ignore করছে প্রচলিত পদ্ধতি। গবেষণা বলছে, ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন তাদের teachers যথাযথ সহায়তা দিতে ব্যর্থ। এই mutual আস্থার ঘাটতি শিক্ষার গুণমানকে ধীরে ধীরে ভাঙছে।

মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মের জন্য মৃত্যুঘণ্টা বাজাচ্ছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নগরভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী মাদকের সাথে জড়িত। মানসিক health নষ্ট হচ্ছে, একাডেমিক মনোযোগ হারাচ্ছে, সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কারিকুলামের প্রাসঙ্গিকতার অভাব—theoretical জ্ঞানের ঢালাও পাঠ্যক্রম, যেখানে প্রযুক্তি, technology বা উদ্যোক্তা উন্নয়নের জায়গা নেই। ইউনেস্কো জানায়, প্রায় ৪৭ শতাংশ স্নাতক চাকরির বাজারে প্রবেশের সময় অদক্ষ বোধ করেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে monitoring নেই, জবাবদিহিতা নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ অনেক কলেজেই নিয়মিত ক্লাসের পর্যবেক্ষণ বা গবেষণাকে support দেওয়া হয় না। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব—সবই স্বচ্ছতার ঘাটতি তৈরি করছে। গুণগত শিক্ষা চাইলে এই সব অন্তরায় দূর করতে হবে। স্বতন্ত্র মাননিয়ন্ত্রণ সংস্থা, যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের পুনর্গঠন—এগুলো নয়া প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য।

প্রতিক্রিয়া 8

  • প্রজন্ম_২০৩০

    আমাদের ক্যাম্পাসে রাজনীতি শুধু ভয়ই দেয় না, পড়াশোনার পরিবেশও নষ্ট করে। freedom চাই, নাকি দলের বাধ্যতা?

  • শিক্ষক_মিতা

    শিক্ষকদের উপর অনেক চাপ। পারিবারিক ব্যয় চালাতে টিউশনের দিকে ঝুঁকতে হয়। সরকার যদি salary ঠিক করে দিত, পরিস্থিতি বদলাত।

  • নিরীক্ষণ

    ৬২% শিক্ষার্থী বলছে শিক্ষক সহায়তা দেন না? তাহলে দায় কার? শিক্ষকদের নয়, নাকি ব্যবস্থার?

  • কামাল_সরকারি

    আমি কলেজে পড়ি, ক্লাসে প্রায় অর্ধেক সময় ফাঁকি। কেউ তদারকি করে না। শিক্ষা কীভাবে হবে?

  • তথ্য_অনুসন্ধানী

    মাদকের হার ২০%? আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত তার চেয়ে বেশি। তথ্য সঠিক হওয়া দরকার।

  • স্বপ্নদ্রষ্টা

    আমি একজন ছাত্র। প্রযুক্তি শিখতে চাই, কিন্তু পাঠ্যবইয়ে সব তাত্ত্বিক। practical কিছু নেই। হতাশ লাগে প্রতিদিন।

  • গবেষক_হোসেন

    রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, তাই বলে ছাত্র গণতন্ত্র মারবেন কেন? ভারসাম্য থাকা দরকার।

  • নাজমা_৭৮

    আমি মা। আমার ছেলে কলেজে যায়। মাদকের কথা শুনলে রাতে ঘুম আসে না। protection চাই আমাদের সন্তানদের জন্য।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]