মিথ্যার রাজনীতি: ক্যাম্পাসে উত্তাপের পেছনে গুপ্ত হাত?
independent করা একটি সংগঠনের ইতিহাস আছে—১৪২ জন শহীদ, দীর্ঘ সংগ্রাম, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়। কিন্তু এখন সেই বিজয়ের পর নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে, যেখানে শত্রু হাতে ধরে রাইফেল নয়, বরং propaganda । বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারা বলছেন, ৫ আগস্টের পর তাদের সংগঠন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারকে নিশানা করে target করা হচ্ছে। তাদের মতে, এই আক্রমণ ক্যাম্পাসের শান্তি ভাঙার চেয়েও গভীর—এটি একটি কথার যুদ্ধ, যেখানে সত্য আর মিথ্যার মুখোমুখি হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ছাত্রদলের নেতারা জানান, বিগত ১৫ বছরে তাদের সংগঠনের অনেক activist গুম ও খুনের শিকার হয়েছে। এখন আবার মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে, যা ক্যাম্পাসের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে—যারা মিথ্যা ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এটি শুধু একটি হুমকি নয়, এটি একটি warning —যে গণতন্ত্রের মাধ্যমে তারা লড়বে, কিন্তু লড়বেই।
নেতারা দাবি করেন, একটি ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব এই মিথ্যা প্রচারণার অর্থ যোগান দিচ্ছে। ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও বিতর্কিত ডাকসু নির্বাচনের কথিত ভিপি সাদিক কায়েমের নামও উঠে এসেছে। এমন সময়, যখন ক্যাম্পাসের পরিবেশ ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত, এই ধরনের উসকানি আগুনে ঘি ঢালার মতো। তারা বলেন, আগেও ইউনূস সরকারের সময় mob তৈরি করে উত্তেজনা সৃষ্টি করার চেষ্টা হয়েছিল। এবার যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়, তারা প্রতিহত করবে—democratic উপায়ে, কিন্তু দৃঢ়ভাবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন ছাত্রদের জন্য সুরক্ষিত হয়, সেটাই তাদের দাবি। তারা জোর দিচ্ছেন যে কোনো শিক্ষার্থী harass শিকার হবে না। এই দাবি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, বরং সমগ্র দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য। ক্যাম্পাস শুধু জ্ঞানের সন্ধানী ছাত্রদের জায়গা নয়, এটি ভবিষ্যতের political অঙ্গনও। সেখানে যদি secret কারসাজি চলে, তবে সেই গুপ্তচরবৃত্তি ফাঁস করতে হবে। কারণ, শিক্ষার আশ্রম হওয়া উচিত শান্তির প্রতীক, না হওয়া উচিত tension ঘাঁটি।
এই ধরনের ঘটনাগুলো ক্যাম্পাস জীবনকে আরও জটিল করে তোলে। ছাত্ররা যখন education পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হয়, তখন তাদের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। তারা আশা করেন, উপাচার্য ও প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে এগিয়ে আসবেন। কেবলমাত্র পুলিশি হস্তক্ষেপ নয়, বৈঠক, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কারণ, সংলাপ ভাঙা দেয়ালের চেয়ে বানানো সেতুর মতো—যা শুধু সমাধান নয়, ভবিষ্যতের জন্য পথও তৈরি করে।
গণতন্ত্রের নামে কিন্তু অনেক সময় manipulate ম্যানিপুলেট করা হয়। ছাত্ররা সত্যিই স্বাধীন কি? নাকি শুধু বড়দের হাতের পুতুল?
উপাচার্যকে আরও সক্রিয় হতে হবে। ক্যাম্পাসে শান্তি রক্ষা করা তাঁর প্রথম দায়িত্ব।
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম? এটা কি সত্যিই কার্যকর? নাকি শুধু মিডিয়ার জন্য একটা drama ড্রামা?
শহীদের সংখ্যা ১৪২—এই তথ্যটা কি যাচাই করা হয়েছে? মর্যাদা দিতে হবে, কিন্তু fact ফ্যাক্ট ছাড়া আবেগ কাজ করবে না।
ছাত্র জীবনে রাজনীতি থাকবেই, কিন্তু হেনস্থা আর গুম কি এর অংশ হওয়া উচিত?
ইউনূস সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করলেন? কীভাবে সেটা এখন প্রাসঙ্গিক? কনটেক্সট ঠিক রাখা দরকার।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এত কথা শুনলাম, কিন্তু বিপক্ষ পক্ষের কথা কবে শুনব?
যদি মিথ্যা প্রচারণা হয়, তবে প্রমাণ দেখান। কথার জোরে নয়, প্রমাণ দিয়ে মানুষকে বোঝান।