আইপিএলের ম্যাচে রহস্যময় সময় বাড়ছে: গাভাস্কারের সতর্কবার্তা
আইপিএল এখন মাঠের বাইরের নাটকের চেয়ে বেশি সময় নিচ্ছে ম্যাচের time নষ্ট করে। ভারতীয় ক্রিকেটের আইকন সুনীল গাভাস্কার সতর্ক করেছেন: টি-টোয়েন্টির মজ্জাগত দ্রুততা এখন হারিয়ে যাচ্ছে অর্গানাইজেশনের ঢিলেঢালা আচরণে। প্রতিটি ম্যাচ এখন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি গড়াচ্ছে, কোনো match শেষ হচ্ছে না ৪ ঘণ্টার কমে। সুপার ওভার বা অতিরিক্ত সময় না থাকা সত্ত্বেও ম্যাচগুলো টান পড়ছে সাড়ে চার ঘণ্টা পর্যন্ত। এটা আর ক্রিকেট নয়, বলছেন গাভাস্কার — এটা এক ধরনের entertainment ঢং—যেখানে খেলার গতি হারিয়ে যাচ্ছে দৃশ্য দেখানোর জন্য।
গাভাস্কারের কলামে তিনি তুলে ধরেছেন মাঠের অব্যবস্থা: রিজার্ভ খেলোয়াড়দের পানির বোতল নিয়ে ঢোকা, কোচিং স্টাফের অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি, আর স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউটের সময় মাঠে ভিড়। এগুলো নাকি বাড়াচ্ছে অপ্রয়োজনীয় delay । তাঁর মতে, শুধু স্লো ওভার রেটের জন্য জরিমানা করা হয়, কিন্তু ম্যাচের মোট সময় বাড়ানোর জন্য কোনো শাস্তি নেই। এটা অস্বাভাবিক, এবং এটা পরিবর্তন করতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, মাঠে অতিরিক্ত লোকজন ঢোকা আটকাতে হবে — শুধু নির্দিষ্ট কোচ আর দুজন রিজার্ভ খেলোয়াড় ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এটা হচ্ছে খেলার শৃঙ্খলার ব্যাপার।
ব্যাটসম্যানদের নামার বিলম্বও তাঁকে বিরক্ত করছে। উইকেট পড়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান নামার জন্য বর্তমানে ২ মিনিটের সুযোগ আছে। কিন্তু গাভাস্কার বলছেন, আজকের দিনে খেলোয়াড়রা ডাগআউটে প্রস্তুত থাকেন, তাই এই সময় কমিয়ে ১ মিনিটে নামানো উচিত। এটা হবে একটি ছোট কিন্তু কার্যকর change । মাইনর বিষয় মনে হলেও এটি প্রতি ম্যাচে সময় বাঁচাবে, আর সেটা জমা হয়ে বড় পার্থক্য করবে। তাঁর মূল বক্তব্য: খেলার মজ্জা বজায় রাখতে হলে কঠোর নিয়ম চাই। এটা হচ্ছে নিয়মের প্রয়োগ, যেখানে শাস্তি থাকবে নিশ্চিত।
গাভাস্কারের মন্তব্য শুধু একজন সাবেক খেলোয়াড়ের মন্তব্য নয় — এটা একটি সতর্কবার্তা বর্তমান ক্রিকেট ব্যবস্থাকে উদ্দেশ্য করে। আইপিএল হয়ে উঠেছে এক বিশাল franchise ইভেন্ট, কিন্তু তার সাথে সাথে খেলার প্রাণ হারানোর ঝুঁকিও বাড়ছে। গাভাস্কার বুঝিয়েছেন, নিয়ম না থাকলে বা নিয়ম না মানা হলে, খেলার গতি, রোমাঞ্চ, এমনকি দর্শকদের আগ্রহ সবই নষ্ট হবে। তাঁর আহ্বান: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে এখনই action নিতে হবে। শুধু নিয়ম বদলানো নয়, তা মানা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, টি-টোয়েন্টি আর শীঘ্র শেষ হলে তো আইপিএলের প্রাণ কোথায় থাকবে?
এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে একটা বৃহত্তর চিন্তা: আইপিএল যদি আরও বেশি commercial হয়ে যায়, আরও বেশি দৃশ্য তৈরি করতে চায়, তবে খেলার মূল তত্ত্ব হারিয়ে যাবে। গাভাস্কার চাইছেন ভারসাম্য রক্ষা করা — বিনোদন আর খেলার মধ্যে। তাঁর দৃষ্টিতে, খেলা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার। এবং সেটা বাঁচাতে হলে কঠোর হতে হবে। নিয়মের কাঠামো দৃঢ় করা, তা বাস্তবায়ন করা, আর সেটা না মানলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকা — এগুলো আর আলসেমি নয়, এখন সেটা জরুরি সংস্কার। কারণ সময় নষ্ট হচ্ছে মাত্র কয়েক মিনিট নয়, এটা হচ্ছে খেলার আত্মার প্রতি হামলা।
গাভাস্কার ঠিক বলেছেন, ম্যাচ শেষ হয় রাত আটটার পর, শেষ ওভার দেখতে ইচ্ছা করে না। viewer দর্শক হিসেবে এটা খুব ক্লান্তিকর।
২ মিনিটের ব্যাটিং সময় কমানো হবে কীভাবে? কোনো বিকল্প rule নিয়ম আছে? বিস্তারিত জানতে চাই।
আমি স্টেডিয়ামে গেলে বাসে ফিরতে রাত হয়। সময় কমানো হলে আমাদের জীবনও easier সহজ হবে।
তিনি সবসময় খেলার পক্ষে কথা বলেন। একজন সত্যিকারের ক্রিকেট legend প্রতীক।
দর্শক তো বিনোদন চায়, খেলা আরও লম্বা হওয়া তো সমস্যা না।
প্রতি ম্যাচে ৩০ মিনিট বাঁচালে সিজনে ৪৫ ঘণ্টা বাঁচবে। সময় ব্যবস্থাপনা কেবল নিয়ম নয়, এটা দক্ষতা।
খেলা আর বিনোদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। গাভাস্কার সেটাই বলছেন।
দলগুলো জানে টিভি ব্রডকাস্টে বেশি বিজ্ঞাপন চালানোর জন্য ম্যাচ একটু লম্বা হলেই লাভ। এটা শুধু সময় নষ্ট নয়, এটা প্রতারণা।