এনগিডির চোটে কেঁপে উঠল মাঠ — হাসপাতালে ভর্তি, কিন্তু কতটা নিরাপদ?
sudden থমকে গিয়েছিল ম্যাচ, মাঠের উত্তাপ হঠাৎ বদলে গিয়েছিল tension হয়ে। দিল্লি ক্যাপিটালসের দক্ষিণ আফ্রিকান pacer লুনগি এনগিডি ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টায় মাঠে পড়ে যান, মাথায় injury লাগে। তক্ষুনি মাঠে ছুটে আসেন চিকিৎসকরা, প্রায় minutes খেলা halted থাকে। স্ট্রেচারে করে তাঁকে নেওয়া হয় অ্যাম্বুলেন্সে — সরাসরি হাসপাতালে। এমন incident দেখে concern হয়ে পড়ে সমর্থকরা, টিম স্টাফ—সবাই। ক্রিকেট মানেই কেবল রান আর উইকেট নয়, কখনও কখনও এর চেয়েও বড় হয় safety ।
দিল্লির ক্রিকেট পরিচালক ভেঙ্কটেশ্বর রাও পরে স্বস্তির খবর দেন। তিনি বলেন, এনগিডি hospital রয়েছেন, tests চলছে, কিন্তু প্রাথমিকভাবে লাগছে চোটটা serious নয়। এই আশাব্যঞ্জক তথ্যে একটু হলেও নিশ্বাস ফেলল দিল্লি শিবির। তবে চূড়ান্ত মেডিক্যাল report না আসা পর্যন্ত কেউ relieved পাচ্ছেন না। রাও স্পষ্ট করেন, খেলার চেয়ে খেলোয়াড়ের সুস্থতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটা শুধু আইপিএল নয়, এটা মানবিকতার বিষয়।
এনগিডির অনুপস্থিতি ম্যাচেও impact ফেলেছে। দিল্লি ২৬৪ রান করেছিল, তবু পঞ্জাব কিংসকে হারানো গেল না। রাও মানতেই হয়, missed করা ২৪টি বল — এনগিডি যা বলতে পারতেন — সেটাই ছিল difference । তাঁর কথায়, এটা বড় ফ্যাক্টর। আবার এনগিডির জায়গায় কাকে নামানো হবে, তাও নিয়ে ছিল বিভ্রান্তি। প্রথমে চামিরা ঘোষিত হলেও পরে change হয় প্লেয়ারের। নিয়ম স্পষ্ট: চারের বেশি foreign খেলোয়াড় রাখা যায় না।
পাঞ্জাবের স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল এনগিডির জন্য concern প্রকাশ করেন। তাঁর মনে হয়, মাথার head কখনও হালকা নয়। অন্যদিকে, দিল্লির শিবিরে update আছে: মিচেল স্টার্ক ফিরছেন। ১ মে থেকে তিনি ready । এনগিডির অবস্থা আর দলের combination — এই দুটি বিষয় এখন দিল্লির সামনে বড় challenge । আইপিএল শুধু ম্যাচ জেতার নয়, কখনও কখনও মানুষকে রাখার ব্যাপারও।
মাথায় চোট হলে সবসময়ই careful সাবধান হওয়া উচিত। আশা করি এনগিডি তাড়াতাড়ি ফিরবেন।
২৬৪ রানেও হার? ইউ মাস্ট বি kidding কিডিং মি। বোলিং লাইনআপ ছিল কোথায়?
স্টার্ক ফিরছেন — এটাই হল গেমচেঞ্জার। এনগিডি সুস্থ হোন, কিন্তু স্টার্ক আছেন!
বারবার একই কথা — খেলোয়াড়ের safety নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে কেন তাড়াতাড়ি ম্যাচ ফিরছে?
চাহাল ঠিকই বলেছেন, মাথার আঘাত কখনও তুচ্ছ হয় না। প্রার্থনা করছি।
দক্ষিণ আফ্রিকার পেসিং রক্তে এনগিডি আছেন। তাঁকে ফিরতে হবে।
বিদেশি খেলোয়াড়ের সীমা নিয়ে নিয়ম কঠোর — সেটা বোঝা যায়। কিন্তু ম্যাচে বদল করতে গিয়ে এত দেরি কেন?
আইপিএল এখন শুধু ক্রিকেট নয়, একটা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি চায়। অগ্রাধিকার হওয়া উচিত মানুষের।