রূপপুরে জ্বালানি লোডিং: পারমাণবিক যুগের সূচনা কি আসন্ন?
anticipation অবসান ঘটতে চলেছে ২৮ এপ্রিল। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সেদিন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে জ্বালানি লোডিংয়ের কাজ। এটি মাত্র একটি প্রযুক্তিগত ধাপ নয়, এটি একটি জাতীয় মাইলফলক। এতদিন যে স্বপ্ন ছিল কাগজে-কলমে, এবার তা বাস্তব বিদ্যুতের আকার নিতে চলেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই milestone ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গেছে, কিন্তু বিষয়টির গুরুত্ব তাতে কমেনি। বরং, এখন সবদৃষ্টি নিবদ্ধ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদের উপর।
fuel লোডিংয়ের মাধ্যমেই রূপপুর প্রকল্প আনুপাতিকভাবে ক্রমশ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, এটি কেবল যন্ত্র চালুর ব্যাপার নয় — এটি জাতীয় grid প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার আগের প্রস্তুতি। তাঁর আশা, জুলাই মাসের শেষে বা আগস্টের শুরুতেই প্রথম ইউনিট থেকে কমপক্ষে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে। এরপর চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে সম্পূর্ণ ক্ষমতায় চালু হবে প্রথম ইউনিট। এটি শুধু বিদ্যুতের কথা নয়, এটি একটি নতুন যুগের সূচনা।
গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স দেয়— যা ছিল পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অপরিহার্য। এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহিদুল হাসান বলেন, রিয়্যাক্টরে জ্বালানি লোড করতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন লাগবে। তিনি স্পষ্ট করেন, এর পর আসবে বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যা একটি complex ও challenging পর্যায়। প্রতিটি ধাপই নিরাপত্তাভিত্তিক এবং আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রকল্পটি নির্মিত হয়েছে ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে। রাশিয়া সরবরাহ করেছে আর্থিক এবং technical সহায়তা। এখানে ব্যবহৃত হয়েছে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর। পূর্ণ ক্ষমতায় চালু হলে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে — যা দেশের মোট চাহিদার ১০ শতাংশেরও বেশি। এটি কেবল বিদ্যুৎ নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি তৈরি করছে।
অবশেষে! আমরা পারমাণবিক শক্তির era যুগে পা রাখতে চলেছি।
প্রযুক্তি ভালো, কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? safety নিরাপত্তা কি আসলেই গ্যারান্টিযুক্ত?
আমার শহরের নাম জাতীয় মানচিত্রে — এটা গর্বের।
৩০০ মেগাওয়াট শুরুতে? ভালো শুরু। output উৎপাদন ক্রমশ বাড়বে, আশা রাখি।
রাশিয়ার সাথে এই সহযোগিতা শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি এক ধরনের partnership অংশীদারিত্ব।
আমরা কত দেরিতে পৌঁছলাম, কিন্তু এখন থেকে ফাঁকি দেব।
ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর? আধুনিক প্রযুক্তি। reactor রিয়্যাক্টর ডিজাইন আসলেই অত্যাধুনিক।
বিদ্যুৎ বিল কমবে নাকি আবার বাড়বে? এই জিগ্যেস করার অধিকার তো আমার আছে।