যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে মার্কিন রণকৌশল সাজাচ্ছে ওয়াশিংটন
ইরানের সঙ্গে চলমান the pause কাজে লাগিয়ে নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি আরও stronger করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই সময়টিতে মার্কিন বাহিনী re-arming , সরঞ্জাম আধুনিকায়ন এবং রণকৌশল restructuring কাজ চালাচ্ছে।
সেন্টকমের মতে, যুদ্ধবিরতি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী highest readiness অবস্থায় রয়েছে। তারা বলছে, এই সময়কে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতের যেকোনো situation দ্রুত response জানানো সম্ভব হয়।
সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী rapidly পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। তার ভাষায়, “আমরা যুদ্ধবিরতির এই সময়কে কাজে লাগিয়ে আমাদের রণকৌশল ও কর্মপদ্ধতি নতুনভাবে সাজাচ্ছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্বের অন্য কোনো সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের মতো rapidly নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে না। এই সময়ে ‘রি-আর্মিং’ অর্থাৎ অস্ত্র পুনঃসজ্জা এবং ‘রি-টুলিং’ অর্থাৎ সামরিক সরঞ্জামের modernization চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি আরও enhanced করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক capability শক্তিশালী রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ extension ঘোষণা দেন। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি জোরদারের এই তথ্য সামনে এল, যা international scene নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির সময়েও বড় শক্তিগুলোর এমন প্রস্তুতি ভবিষ্যতের কূটনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতিকে আরও complex করে তুলতে পারে।
যুদ্ধবিরতি মানেই শান্তি না, এটা শুধু tactical pause কৌশলগত স্থবিরতা। মার্কিন বাহিনী যে সময়টা পাচ্ছে, তাতে তারা নিজেদের আরও শক্তিশালী করছে। আসল মুখোমুখি হওয়া এখনও বাকি।
এই ধরনের ঘোষণা দেখে মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্র শান্তির কথা বললেও যুদ্ধের preparedness প্রস্তুতি কমাচ্ছে না। এতে আন্তর্জাতিক tension উত্তেজনা বাড়বে না কি?
‘রি-আর্মিং’ আর ‘রি-টুলিং’ শব্দদুটো ভালো করে বোঝা দরকার। এটা মানে শুধু অস্ত্র বদলানো না, পুরো সামরিক নীতি পাল্টানো হচ্ছে।
ট্রাম্পের ঘোষণা আর সেন্টকমের কাজ—দুটো একসঙ্গে দেখলে মনে হয় এটা কৌশলগত বার্তা: আমরা শান্তি চাই, কিন্তু লড়তেও প্রস্তুত।
আমেরিকা বারবার বলে তারা সবচেয়ে দ্রুত সামরিক adaptation অভিযোজন করতে পারে। কিন্তু ইরান কি সেটা বিশ্বাস করবে? এটা তো আরও বড় দ্বন্দ্বের trigger সূচনা হতে পারে।
যুদ্ধবিরতি থাকলেও সামরিক প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়া মানে আসলে শান্তি নয়, শক্তি প্রদর্শন। এতে দুই দেশের মধ্যে আস্থা বাড়বে না, উল্টো ভয় বাড়বে।