চাপের মুখে আলোচনা করবে না ইরান, সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত গালিবাফের

হুমকি বা চাপের মুখে আলোচনায় বসবে না বলে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়েছে, তারা the negotiation বা কূটনৈতিক আলাপকে হুমকির ছায়ায় মানবে না। বরং আলোচনা fails হলে তাদের কাছে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প পথ রয়েছে, যা তারা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করছে।

ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফ এক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবরোধ ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আলোচনার টেবিলকে surrender table হিসেবে পরিণত করতে চাইছেন — যা তাদের কাছে সম্পূর্ণ unacceptable । এই ধরনের কৌশল হলো চাপ tactics প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক দরবারে নিজেদের অবস্থান জোরদার করা।

গালিবাফ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে আলোচনার নামে প্রভাব exert করতে চাইছে, অন্যদিকে যুদ্ধ শুরু করার যুক্তি তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরান গত দুই সপ্তাহ ধরে যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য নতুন ‘card ’ তৈরি করছে। এটি বোঝায় যে, কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হলে তাদের কাছে সামরিক সক্ষমতা রয়েছে যা তারা deploy করতে পারে।

এই ঘোষণা মানেই হলো, ইরান চাপের face হওয়া সত্ত্বেও কূটনীতির দরজা বন্ধ করছে না, কিন্তু একইসঙ্গে তারা সমান্তরাল পথে military readiness নিচ্ছে। এটি কোনো শূন্য হুমকি নয়; বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তির ভাষা বোঝানোর একটি পরিকল্পিত strategy । গোটা মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রভাব পড়বে।

প্রতিক্রিয়া 8

  • রৌদ্রের_ছায়া

    চাপ দিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করলে কোনো দেশই সেটা মানবে না। মার্কিন pressure এখানে আসলে আরও বড় সংঘাতের দিকে ঠেলছে।

  • নীল_নদ

    ‘আত্মসমর্পণের টেবিল’— শব্দটা খুব শক্তিশালী। এটা দেখাচ্ছে কীভাবে কূটনীতির নামে কেউ কেউ dominance কায়েম করতে চায়।

  • প্রশান্ত_বাতাস

    নতুন কার্ড মানে কী? ড্রোন? মিসাইল? নাকি কিছু নতুন প্রযুক্তি? বিস্তারিত না জানালে এই threat শুধু ভাষাতেই থাকবে।

  • মেঘ_ভাঙা

    গালিবাফের মন্তব্যে আত্মবিশ্বাস আছে, কিন্তু এটা কি আসলে আত্মরক্ষার ভাষা নাকি আরও escalation তৈরির কৌশল?

  • সবুজ_চায়া

    সামরিক প্রস্তুতি মানে যুদ্ধ চাওয়া নয়, কিন্তু শক্তি দেখানো যাতে কেউ আঘাত করতে না সাহস করে। এটা প্রতিরোধ নীতি।

  • অনুরাগ

    ট্রাম্প আবার ক্ষমতায়? আমি ভেবেছিলাম তিনি আর নেই। এই খবর context নিয়ে একটু পরিষ্কার করা দরকার।

  • গামছা_ওয়ালা

    আমরা তো শুনতে পাই মার্কিন পক্ষ থেকে সর্বদা diplomacy , কিন্তু অবরোধ আর বোমা ফেলা কি সেটারই অংশ?

  • নদীর_ধারে

    যদি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী ধাপ কী? ইরান যদি আসলেই কিছু মোতায়েন করে, তাহলে পুরো অঞ্চলে security বিপন্ন হবে।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]