জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হতে সাত দিনে একশ বেশি আবেদন
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার পদে new opportunity প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে অস্বাভাবিক মাত্রায়। মাত্র সাত দিনেই applications জমা পড়েছে ১২৮টি, যা প্রাক্তন দৃশ্যপটের সঙ্গে তুলনা করলে একটি বিপ্লব বলে মনে হচ্ছে। আগে বড় প্রোফাইলের কোচদের মধ্যে এখানে কাজ করার প্রতি interest কম ছিল, কিন্তু এখন সেই ছবি বদলাচ্ছে।
বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল হাসান মনে করেন, হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের মতো ফুটবলারদের আগমন impact ফেলেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। তাঁদের মতে, দলটির brand value বেড়েছে, আর তার জেরেই বিদেশি কোচদের confidence ফিরেছে। ‘আপনার হাতে যখন হামজার মতো ফুটবলার থাকবে, তখন plan বাস্তবায়ন করা অনেক সহজ হয়’, — তাঁর যুক্তি।
আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন পিটার সেগ্রেট, যিনি ক্রোয়েশিয়ান আইনস্টাইন নামে পরিচিত এবং ২০১৮ সালে মালদ্বীপ সাফ শিরোপা জিতিয়েছিলেন। ভ্যালেরি তিতা, ইগর স্টিমাচ, অ্যান্টেইন হেই এবং মিওদ্রাগ রাদলোভিচের মতো অভিজ্ঞ কোচরাও তালিকাভুক্ত। ফরাসি ক্লাব পিএসজির সাবেক কোচ দিদিয়ের ওলেও আবেদন করেছেন। এসব নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের ফুটবল আর local game হিসেবে নয়, বরং একটি আকর্ষক project হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমান কোচ হাভিয়ের কাবরেরার চুক্তি ৩০ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। তার আগেই বাফুফে নতুন কোচ নির্বাচনের process শুরু করেছে। নতুন কোচের বেতন initially হবে সাড়ে ১৩ হাজার ডলার, যা অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা বিবেচনায় বাড়তে পারে। এএফসি বা উয়েফা প্রো লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক, পাশাপাশি ডেটা অ্যানালিসিস ও আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে expertise চাওয়া হচ্ছে।
সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরির পর স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার হবে সশরীরে, বিদেশিদের হবে অনলাইনে। বাফুফে আশা করছে, ৫ জুনের আগেই নতুন কোচ ঘোষণা করা যাবে, যিনি হামজা-শমিতদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দলকে আন্তর্জাতিক stage আরও এগিয়ে নিতে পারবেন। দর্শকদের support এখন বাড়ছে, আর এই আবেদনের ঢল সেই momentum আরও জোরদার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এত interest আগ্রহ? আগে কেউ নাম লেখাত না, আজ লাইন লাগল!
হামজা-শমিত এসে শুধু গোল করেননি, গোটা ফুটবল culture সংস্কৃতি বদলে দিয়েছে।
বাজার মূল্য বাড়লে অবশ্যই বিনিয়োগকারী আসে। ফুটবলও ব্যবসা।
বেতন ১৬ লাখ টাকা? খেলোয়াড়দের বেতন কবে সেই level লেভেলে যাবে?
ডেটা অ্যানালিসিসে knowledge জ্ঞান থাকতে হবে — এটাই আধুনিক ফুটবলের চাবিকাঠি।
বিদেশি কোচ আসবে, কিন্তু কোচিং কারিকুরাম কি স্থানীয়দের development উন্নয়নে কাজে লাগবে?