১৪ হাজার শিক্ষক যোগদান হচ্ছে না, মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি
গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর থেকে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও new recruit প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক এখনও যোগদান করতে পারছেন না। এই delay নিয়ে সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি memorandum জমা দেওয়া হয়, যেখানে প্রার্থীদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও অনিশ্চয়তা। অথচ প্রার্থীরা মেডিকেল, ডকুমেন্ট যাচাই-সহ সব আনুষ্ঠানিকতা অতিক্রম করেছেন।
স্মারকলিপিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই long delay অনেক প্রার্থীকে আর্থিক ও মানসিক সংকটে ঠেলে দিয়েছে। কেউ কেউ আগের job ছেড়েছেন, এখন বেকার। আবার অনেকের বয়সসীমা পার হয়ে গেছে, ফলে অন্য কোনো সরকারি চাকরির সুযোগও নেই। এই পরিস্থিতি কেবল ব্যক্তিগত স্তরে নয়, education system ক্ষতি করছে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ অপরিহার্য, কিন্তু এই বিলম্বে মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রার্থীরা বলছেন, তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা এখন মানবিক ও জরুরি দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার বিষয়। support চাওয়া হয়েছে যাতে সকল সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের দ্রুত যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়।
উল্লেখ্য, লিখিত পরীক্ষায় ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, তবে চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে শর্তসাপেক্ষে নির্বাচন করা হয়। তাদের সবাই প্রয়োজনীয় নথি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। অথচ official decision এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
এই pressure শুধু প্রার্থীদের উপরই নয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপরও পড়ছে। দক্ষ শিক্ষকদের অভাবে শ্রেণিকক্ষের মান নিম্নমুখী হওয়ার risk তৈরি হয়েছে। প্রার্থীরা আশা করছেন, মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান বুঝে দ্রুত যোগদানের ব্যবস্থা করবে।
১৪ হাজার মানুষের ভবিষ্যৎ এভাবে ঝুলিয়ে রাখা কতটা নিষ্ঠুর, এটা নিয়ে কেউ কি public trust জনআস্থা হারাবে না?
যারা আগের চাকরি ছেড়েছেন, তাদের জন্য এটা মানসিক ও আর্থিক ধস। একটা simple decision সহজ সিদ্ধান্ত নিয়েও এত দেরি কেন?
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এত ধাপ হওয়া উচিত নয়। সব নথি যাচাই হয়ে গেছে, এখনও কী bureaucratic delay আমলাতন্ত্রের বিলম্ব?
ভাই, এই প্রার্থীদের মধ্যে আমার ভাইও আছে। মাসের পর মাস অপেক্ষা, কোনো update আপডেট নেই। মন ভারী।
এত মানুষের উপর চাপ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কে দায় নেবে? এটা কি শুধু আমলাদের mistake ভুল নাকি কোনো নীতি?
যদি যোগ্য শিক্ষকরা না আসে, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়বে কীভাবে? এই long-term impact দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আমরা সবাই ভোগ করব।