সম্মানেই টিকে আছে সম্পর্ক! মাধবন-সরিতার অনন্য প্রেমের গল্প
সম্মানের ভিত্তিতেই দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে সম্পর্ক! অভিনেতা আর. মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বির্জের প্রেমের গল্পটি শুরু হয়েছিল এক classroom থেকে, যেখানে তিনি ছিলেন teacher আর সরিতা ছিলেন তাঁর student । ১৯৯১ সালে কোলহাপুরের একটি ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন কোর্সে তাঁদের প্রথম দেখা। মাধবন পড়াতেন public speaking এবং communication , আর সরিতার মন কেড়েছিল তাঁর শেখানোর style ।
প্রথমে তাঁদের মধ্যে কোনো romantic সম্পর্ক ছিল না। মাধবন নিজেই বলেছেন, শিক্ষক-ছাত্রী সম্পর্ক বজায় রেখে নতুন কিছু গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরে সরিতা যখন এয়ার হোস্টেস হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন তিনি মাধবনকে thank জানানোর জন্য ডিনারে invite জানান। সেই ডিনারই তাঁদের relationship নতুন অধ্যায়।
এক সাক্ষাৎকারে মাধবন বলেছেন, তাঁদের দাম্পত্যের মূল ভিত্তি হলো mutual respect । তিনি বলেন, “আমরা অন্য দম্পতির মতোই ঝগড়া করি, কিন্তু আমরা কখনও ignore করি না একে অপরকে। সরিতা আমাকে শুধু অভিনেতা হিসেবে নয়, আমার equal সঙ্গী হিসেবে দেখেন। আমি সবসময় চেষ্টা করি তাঁকে বোঝাতে যে, আমি কতটা lucky ।”
প্রায় আট বছর dating -এর পর ১৯৯৯ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। ২০০৫ সালে তাঁদের ছেলে বেদান্ত মাধবনের জন্ম হয়। অভিনয়ের পথে না গিয়ে বেদান্ত বেছে নিয়েছেন সাঁতার। ২০১৯ সালে এশিয়ান এজ গ্রুপ সাঁতার প্রতিযোগিতায় তিনি ভারতের হয়ে silver পদক জিতেছিলেন, যা তাঁদের পরিবারের গর্ব।
মাধবন-সরিতার গল্পটি শুধু প্রেমের নয়, এটি একটি modern বাংলা পরিবারের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। সম্মান, trust , এবং সমান সহভাগিতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা এমন সম্পর্ক আজকের দুনিয়ায় বিরল। এটি না শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত বিজয়, বরং সমগ্র ফ্যান কমিউনিটির জন্য একটি শক্তিশালী message ।
এমন respect সম্মান আর কখনো দেখেছি না। আজকের দিনে শুধু ভালোবাসাই নয়, equality সমতা আর support সমর্থন সবচেয়ে বড় প্রেমের প্রমাণ।
ছেলে বেদান্ত যখন পদক জিতল, তখন মাধবনের চোখে জল ছিল। সেই মুহূর্তটা দেখেছিলাম। একজন বাবার pride গর্ব আর একজন মানুষের love ভালোবাসা একসাথে ফুটে উঠেছিল।
মাধবন সিনেমায় যেমন হিরো, বাস্তব জীবনেও তেমনই। কিন্তু সত্যিকারের নায়ক হওয়া মানে হলো একজন স্ত্রীকে value মূল্য দেওয়া, না শুধু মাইক্রোফোনে কথা বলা।
আমার বন্ধুরা সবসময় বলে, বিয়ের পর ভালোবাসা কমে যায়। কিন্তু মাধবন-সরিতার গল্প শুনে মনে হয়, সম্মান থাকলে love ভালোবাসা কখনও শেষ হয় না।
ক্লাসে যাওয়ার সময় থেকেই কি সরিতা জানতেন যে এই মানুষটি তাঁর জীবনসঙ্গী হবেন? না হয়তো। কিন্তু সঠিক choice বেছে নেওয়া আর patience ধৈর্য মিলেই গড়ে উঠেছে এই সম্পর্ক।
হলিউডে তো সবসময়ই সিঙ্গেল হিরোর গল্প। কিন্তু আমাদের মাধবন প্রমাণ করলেন, সফল career ক্যারিয়ার আর সুখী বিবাহ একসাথে সম্ভব। এটাই আসল win জয়।