১২ ওভারে ৫০ রান! চেন্নাইয়ের মন্থরতা নাকি পিচের রহস্য?
season এমন একটি সময় যখন batter ২০০-এর বেশি রান করতে পারেন সহজেই, কিন্তু রবিবার ঘটল একেবারে উলটো কথা। চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে এতটাই slow খেললেন যে, প্রথম ৫০ রান তুলতেই লাগল ১২ ওভার। টসে হারার পর ব্যাটিংয়ে নেমে চেন্নাইয়ের ইনিংস শুরু হয় চরম দিশেহারা ভাবে। মহম্মদ সিরাজের প্রথম ওভারে মাত্র এক রান—এর পরপরই চাপ বাড়াল দুই উইকেট হারানো। সঞ্জু স্যামসন, উরভিল প্যাটেল—বিপদ তো শুরু থেকেই। আর তার চেয়েও ভয়ঙ্কর ছিল সরফরাজ খানের গোল্ডেন ডাক—মাঠ ছাড়ার সময় স্কোরবোর্ডে তাঁর নামে শূন্য।
১২তম ওভারে শিবম দুবের একটি চার মারার পর চেন্নাই পৌঁছায় ৫০ রানে—যা franchise ইতিহাসে সবচেয়ে lengthy সময় নেওয়া। রুতুরাজ গায়কোয়াড় তখন পিচের character বুঝতে পারছিলেন না—৩৫টি বল খেলেও কোনো boundary নেই। এটি ছিল মরশুমের সবচেয়ে দীর্ঘ drought । নবম ওভারে ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ড হয়ে ওঠে frozen , যেন সময় থেমে গেছে। এর আগে ২০১১ সালে আরসিবির বিরুদ্ধে একই ধরনের মন্থর ব্যাটিং দেখা গিয়েছিল—আজকের ঘটনা সেই ইতিহাসকেই পুনরাবৃত্তি করল।
তবে একাকী লড়াইয়ে টিকে থাকলেন অধিনায়ক রুতুরাজ। তাঁর ৬০ বলে unbeaten ৭৪ রানে ছিল ৬টি চার আর ৪টি ছক্কা। এটি ছিল এক লড়াকু innings , যা দলের হাল ধরে রাখল। শেষ মুহূর্তে জেমি ওভারটনের ৬ বলে ১৮ রানের ক্যামিও চেন্নাইকে ঠেলে দিল ১৫৮/৭ রানে। এটি কোনো বিশাল স্কোর নয়, কিন্তু সেদিনের পরিস্থিতিতে ছিল একটি respectable টোটাল। গুজরাতের বোলারদের মধ্যে kagiso rabada ছিলেন সেরা—২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুললেন তিনি।
পিচ ছিল জয়পুরের—যেখানে বল পেয়েছিল অতিরিক্ত bounce আর pace । চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা ধৈর্য হারিয়ে big shot খেলতে গিয়ে উইকেট হারালেন বারবার। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এর যুগে এমন মন্থর ব্যাটিং দেখে সমর্থকরা হয়তো হতাশ, কিন্তু গায়কোয়াড়ের লড়াই কমপক্ষে লড়াইয়ের রসদ জুগিয়েছে। এখন প্রশ্ন, এই রান কি গুজরাতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন কে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে?
এই ম্যাচ শুধু একটি খেলার কথা নয়, এটি একটি ক্রিকেট era এর প্রতিফলন—যেখানে দ্রুত রান করা হয় মানদণ্ড, আর মন্থরতা হয় বিস্ময়ের কারণ। চেন্নাইয়ের আজকের পারফরম্যান্স হয়তো সেরা ছিল না, কিন্তু এটি মনে করিয়ে দিল যে ক্রিকেট এখনও অপ্রত্যাশিততার খেলা। রুতুরাজের অদ্ভুত record হয়তো ইতিহাসে লেখা হবে, কিন্তু তাঁর অবিশ্বাস্য fight হয়তো সমর্থকদের মনে থাকবে দীর্ঘদিন।
১২ ওভারে ৫০ রান? এটা আর ক্রিকেট না, jog হাঁটার প্রতিযোগিতা!
অন্যরা ফেল করলেও রুতুরাজ দলকে লজ্জা থেকে বাঁচালেন। সত্যিকারের captain অধিনায়ক।
জয়পুরের পিচে extra bounce অতিরিক্ত বাউন্স ছিল, কিন্তু চেন্নাইয়ের প্রস্তুতি ছিল না।
আগে কখনো ভাবিনি দেখবো চেন্নাই franchise ফ্র্যাঞ্চাইজি ১২ ওভারে ৫০ রান করবে!
রাবাদার ৩ উইকেট দেখে বোঝা গেল কারা খেলছে বুদ্ধি দিয়ে।
১৫৮? এটা আজকের দিনে প্যার স্কোর নাকি পিছিয়ে যাওয়া?
গোল্ডেন ডাক, মন্থর ব্যাটিং—সব মিলিয়ে দিনটা ছিল ভুলে যাওয়ার।
শেষ পর্যন্ত লড়াই ছিল। ক্রিকেটে কখনো হাল ছাড়বেন না—এই মন্ত্র চেন্নাই মানল।